ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, সরকার দেশে বাকশাল কায়েমের চক্রান্ত করছে। দেশে একদলীয় বাকশাল কায়েমের জন্যই বায়তুল মোকাররম এলাকায় মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধের পাঁয়তারা করছে। বায়তুল মোকারম মসজিদ গেটে যে সকল ইসলামী দল মিছিল মিটিং করে তারা মূলত মসজিদের সম্মান ও আদব রক্ষা করে। কাজেই নামাজে আসা মুসল্লিরা আতঙ্কিত হওয়ার অজুহাতে জাতীয় মসজিদ এলাকায় মিছিল মিটিং নিষিদ্ধের পাঁয়তারা করলে তা সরকারের জন্য সুখকর হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার ঐতিহাসিক চরমোনাইর বার্ষিক মাহফিল স্থলে আয়োজিত ওলামা ও সুধী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, প্রহসনের নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার পর সরকার বিরোধী দলের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থ চেষ্টা করছে। এ সরকার জনরোষের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে বিরোধী দলসহ ইসলামী দলগুলোকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
ওলামা সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী, নায়েবে আমীর আল্লামা আব্দুল হক আজাদ, মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও বসুন্ধরা শায়খ জাকারিয়া ইসলামী রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ, যাত্রাবাড়ী বড় মাদরাসার নাজেমে তালিমাত হাফেজ মোফাজ্জল হোসাইন, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. এ কে এম ইয়াকুব হোসাইন, প্রফেসর নজরুল ইসলাম সহ দেশের বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামগণ।
ওলামাবৃন্দ বলেন, মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম একজন আধ্যাত্মিক এবং দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতা। সুতরাং এদেশের আপামর জনসাধারণকে সাথে নিয়ে বৃহত্তর পরিবর্তন তথা গণবিপ্লব তাঁর দ্বারাই সম্ভব।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে বিশ্বমুসলিমকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, গাজায় প্রায় ত্রিশ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এর বেশিরভাগ নারী ও শিশু। সেখানে হাসপাতালে হামলা করা হচ্ছে, অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে, হাসপাতালের বিদ্যুৎ লাইন ধ্বংস করা হয়েছে, যার কারণে অনেক মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে। ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা মানুষের ওপর হামলা করা হয়েছে। একবিংশ শতাব্দীতে এটি ভাবা যায় না। তবুও বিশ্বমোড়লরা নির্বাক এবং আরব বিশ্ব যে ভূমিকা রাখার দরকার ছিল, সাধারণ মানুষের ধারণা তারা সেখানে সে ভূমিকা রাখেনি। ইসরায়েলি হিংস্র হায়েনারা বিশ্বব্যাপী অশান্তি সৃষ্টি করে রেখেছে।
টঙ্গী থানার সাবেক ওসি ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
হোয়াটসঅ্যাপে নতুন প্রতারণা: অশ্লীল ভিডিও তৈরি করে ব্যাকমেইল