আজ শনিবার (০৯ মার্চ) বগুড়া শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদে উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন তৌহিদুর রহমান মানিক। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান মানিক নারিকেল গাছ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৮ হাজার ১৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রিজ্জাকুর রহমান রাজু হ্যাঙ্গার প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৪ হাজার ৪১০ জন।
সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ হয়। উপনির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন মোট ১২ হাজার ৯২৩ জন ভোটার, যা মোট ভোটের ৬৬.৩৬%।
এবারের শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদে উপনির্বাচনে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। মেয়র পদে অপর দুই প্রার্থীর মধ্যে জগ প্রতীকে হামদান মন্ডল ভোট পেয়েছেন ১৭২টি ও মোবাইল প্রতীকে আব্দুল খালেক ভোট পেয়েছেন ২১০টি। বিকেল ৫টায় শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আকতার নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।
নির্বাচন অফিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ নেতা তৌহিদুর রহমান দ্বিতীয়বারের মতো শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি ০৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে তিনি নৌকার প্রার্থিতা চান। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ তাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়। মানিক পৌর মেয়র পদ ছেড়ে এমপি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নেন। এতে শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ শূন্য হয়। তবে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসনটি জোটের শরিক জাতীয় পার্টির কয়েকবারের সংসদ সদস্য জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহকে ছেড়ে দেন। ফলে তৌহিদুর রহমান মানিকের স্বপ্নভঙ্গ হয়।
এর আগে তিনি (মানিক) উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজুকে পৌর মেয়র পদটিতে নির্বাচনে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু মানিক সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করতে ব্যর্থ হওয়ায় আবারও পৌরসভার মেয়র হতে চান। দল থেকে স্থানীয়ভাবে তাকে সমর্থন দেয়। রাজু উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদ ছেড়ে পৌর মেয়র পদে প্রার্থী হন।
বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা যায়, শিবগঞ্জ পৌর উপনির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১১টি, মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা ৫৫টি। এর মধ্যে ১০টি ভোটকেন্দ্র অস্থায়ী। মোট ভোটার ১৯ হাজার ৪৭৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ হাজার ৬৩০ জন ও মহিলা ভোটার ৯ হাজার ৮৪৩ জন। পুরুষ ভোটারের চেয়ে নারী ভোটার ২১৩ জন বেশি।
