মিলারের পারিশ্রমিক নিয়ে ওয়াসিমের বক্তব্য অসত্য: মিজানুর

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০২৪, ০২:৩৩ পিএম

ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের ডাকসাইটে নাম ডেভিড মিলার। দুনিয়াভর তিনি পরিচিত ‘কিলার মিলার’ নামে। খুনে মেজাজের ব্যাটিংয়ে চড়ে বসেন প্রতিপক্ষের ঘাড়ে। নাভিশ্বাস ছাড়িয়ে তবেই ক্ষান্ত হন। বিপিএলের দশম আসরের চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশালের হয়ে খেলে গেছেন সম্প্রতি। তার বরিশালের হয়ে খেলার পারিশ্রমিক সম্পর্কে বোমা ফাটিয়েছেন পাকিস্তান কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরাম। টেলিভিশন শো-তে ওয়াসিম আকরাম বলেছেন তিন ম্যাচের জন্য মিলার বরিশাল থেকে পারিশ্রমিক পেয়েছেন দেড় লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। তবে দেশ রূপান্তরকে ফরচুন বরিশালের স্বত্বাধীকারী মিজানুর রহমান বলেছেন- এ বক্তব্য সম্পূর্ণই ওয়াসিমের মনগড়া। এর মধ্যে এতোটুকুও সত্যতা নেই।

পাকিস্তানভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ‘এ স্পোর্টস’ এর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান দ্যা প্যাভিলিয়নে সোমবার পেশোয়ার জালমি ও করাচি কিংসের ম্যাচশেষে বিশ্লেষণ চলাকালীন এক পর্যায়ে নিজে থেকেই ওয়াসিম আকরাম বলেন, ‘শেষ তিন ম্যাচের জন্য ডেভিড মিলারকে বরিশালের মালিকপক্ষ থেকে দেড় লাখ মার্কিন ডলার পারিশ্রমিক দিয়েছে। এমনকি ফাইনাল ম্যাচ খেলার জন্য নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানও পিছিয়েছেন মিলার।’

ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রচারের ভিত্তিতে ফরচুন বরিশালের স্বত্বাধীকারী মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ফোনালাপে তিনি দেশ রূপান্তরকে জানান, ‘ওয়াসিমের এ বক্তব্য একেবারেই মনগড়া। এটি ফলস স্টেটমেন্ট। ওয়াসিম আকরাম সম্ভবত আবেগী হয়ে এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন।’

মিজানুর রহমান যোগ করেন, ‘ওয়াসিম আকরাম কি ডেভিড মিলারের সঙ্গে কথা বলেছিলেন! বললে এ বক্তব্য দিতে পারতেন না।’

মিলারের সঙ্গে দুই ম্যাচের চুক্তি হলেও বরিশাল ফাইনালে ওঠায় তাকে আরও একটি ম্যাচ খেলার অনুরোধ জানান। মিজানুর রহমান জানান, ফরচুন বরিশালের সবাই এমনকি টিম বয় পর্যন্ত অনুরোধ করেন মিলারকে। ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যাগ গোছানো হয়ে গেলেও সবার অনুরোধ ফেলে যেতে পারেননি মিলার। তিনি বলেন, ‘আমি নিজে ওকে অনুরোধ করি ফাইনাল খেলে যাওয়ার জন্য। ও সেই অনুরোধ রাখেন। বিয়ের তারিখ পেছানোর তথ্যও অসত্য।’

মিলারের পারিশ্রমিক সম্পর্কে জানতে চাইলে মিজানুর রহমান জানান, ’১০ হাজার মার্কিন ডলার চুক্তি হয়েছিল মিলারের সঙ্গে। সেই অঙ্ক ওয়াসিমের কাছে কিভাবে দেড় লাখ মার্কিন ডলার হয়ে গেল তা বোধগম্য নয়। এ ধরনের পারিশ্রমিকের কথা চিন্তা করাও অবান্তর।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত