চলতি রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মধ্যে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে কলার। বিক্রেতাদের দাবি, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি। যদিও ক্রেতাদের অভিযোগ, এক সপ্তাহ আগেও বাজারে কলার সরবরাহ পর্যাপ্ত ছিল। রোজা শুরু হওয়ার সাথে সাথেই দ্বিগুণ দামে বিক্রি করা হচ্ছে কলা।
বাজারে গিয়ে দেখে গেছে, রোজার শুরু থেকেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়তির দিকে। এরমধ্যে পেঁয়াজ, আলু, বেগুন, শসা ইত্যাদির মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে আরিচা বাজারে প্রকারভেদে প্রতি হালি কলা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। আরিচা থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে টেপরা বাজারে একই আকৃতির কলা প্রতি হালি ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
টেপরা বাজারের পার্শ্ববর্তী স্ত্রীবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা কাজী শুকুর আলী জানান, রোজা শুরুর আগে এ বাজারে প্রতি হালি কলার দাম ২০ টাকা থাকলেও তৃতীয় রোজায় প্রতি হালি কলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে। বাধ্য হয়েই আমাদের এই দামে কলা কিনতে হচ্ছে।
রিনা নামের আরেক ক্রেতা জানান, দামাদামি করে ৩৫ টাকা হালি দরে কলা কিনতে বাধ্য হয়েছি। কয়েকদিনের ব্যবধানে অস্বাভাবিক হারে কলার দাম বাড়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মনিটরিং করার দাবি জানান তিনি।
টেপরা বাজারের খুচরা বিক্রেতা সোনা মিয়া জানান, তিনি ৩৫ বছর ধরে খুচরা বাজারে কলা বিক্রি করেন। আড়ত থেকে কেনা কলা সামান্য লাভে খুচরা বিক্রি করেন তিনি। আড়তে দাম বেশি থাকায় রমজান মাসে বাড়তি দামেই কলা বিক্রি করতে হচ্ছে।
আরিচা ৪নং ঘাটের কলা বিক্রেতা মজিবর জানান, বছরের স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় রমজান মাসে কলার চাহিদা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। এর কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় মূল্য বেড়েছে। যে কারণে আমাদের এ দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।