ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী, পরশুরাম, দাগনভুঁইয়া ও সোনাগাজীসহ এসব অঞ্চলের ইটের সলিং ও পিচ কার্পেটিং রাস্তাগুলো এখন কাদা-মাটির রাস্তায় পরিণত হয়েছে। আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর পিকআপ থেকে পড়া মাটি এখন সামান্য বৃষ্টিতে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। গত মঙ্গলবার দুপুরে বৃষ্টির পানিতে কাদায় পিচ্ছিল হয়ে ছোট-বড় সকল ধরনের যানবহন চলাচলে বিপদজনক হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, সোনাগাজী ও ফুলগাজীতে শীতের মৌসুমে দেদারসে কৃষি জমির মাটি বেচা-বিক্রি চলে। অর্থলোতে পড়ে কতিপয় ব্যক্তি ফসলি জমির ক্ষতি করে ইট তৈরিতে এই মাটি ইটভাটায় যেমন নিয়ে যায়, তেমনি জমি ভরাট করে বাড়ি নির্মাণেও রাত-দিন মিনি ট্রাক দিয়ে মাটি বহন করে। রাতের বেলায় স্কেভেটর দিয়ে কষি জমি কেটে মাটি পরিবহন করার সময় ছিটকে সড়কের সঙ্গে লেপ্টে থাকে।
সড়কের এমন বেহাল অবস্থায় রিকশাওয়ালাদের রুটি-রুজিও কমে গেছে। জিএমহাটে অটোরিকশা চালক সুমন বলেন, রাস্তায় গাড়ি চালাই, চাইল কিনি। কিন্তু রাস্তাত এমন কাদা যে কোথায়ও যাওয়া যাবে না। চিন্তা করি চাইল কিনমু কেমনে?
ফেনী-মুন্সীরহাট পৈথার সড়কের সিএনজিচালক সোহাগ বলেন, বৃষ্টিতে কাদামাখা সড়কে গাড়ি নিয়ে ফেনীতে যাওয়া যায় না। খুব বিপদ নিয়ে আমাদের প্রতিদিন চলতে হচ্ছে।
সড়কের এমন অবস্থা ও ঝুঁকিপূর্ণ চলাচলের বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল আলিম বলেন, ফেনী-পরশুরাম আঞ্চলিক সড়কের বেহাল অবস্থা। এতে যেকোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আঞ্চলিক সড়কগুলো দেখে একদমই বোঝার উপায় নেই সেগুলো পিচের কার্পেটিং কিংবা ইটের ফ্লাট সলিংয়ের। সামান্য গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির পানিতে কাদায় একাকার হয়ে গেছে রাস্তাগুলো।
স্থানীয়দের দাবি- মাটি ব্যবসায়ীদের উদাসীনতায় এ সকল সড়ক সামান্য বৃষ্টির পানিতে মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।
বিচ্ছেদ হলেও বিয়ের গয়না ফেরত দিচ্ছে না জিতু, বিস্ফোরক নবনীতা
খেজুরের দাম এত বাড়ার কারণ কী?