বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি এবং বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার আবেদন করেছে পরিবার। এই আবেদনরে বিষয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। তবে খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক।
সোমবার (১৮ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
আনিসুল হক বলেন, আমরা কাছে আজকে আমার সচিব ফাইলটা দিয়েছেন। ওনারা (খালেদার পরিবার) কী আবেদন করেছেন, সেটা দেখে ভালো করে বিবেচনা করে নিষ্পত্তি করব। আগামীকাল (মঙ্গলবার) নাগাদ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন হবে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা আগের আইনি ব্যাখ্যায় যেটা স্পষ্টভাবে দাঁড়ায় তা হলো— বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হবে না। তার মানে তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না। বিদেশ থেকে ডাক্তার এনে তাকে চিকিৎসার করার অনুমতিও আমরা দিয়েছিলাম। ডাক্তার তাকে চিকিৎসা করেছেন, সুস্থও করেছেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, মেয়াদ বাড়ানোর আইনি সুযোগ আছে। খালেদা জিয়া দুটি শর্তে (বিদেশে যেতে পারবে না ও ঢাকায় থেকে চিকিৎসা) মুক্ত। তাই তাকে আবার মুক্তির কথা বলাটা মনে হয় অপ্রাসঙ্গিক।
খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়াতে তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার ৬ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। আবেদনে তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। পরে সেই আবেদনের বিষয়ে মতামত নিতে সেটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
সর্বশেষ গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়েছিল। সেই মেয়াদ আগামী ২৪ মার্চ শেষ হবে।
