মেট্রোরেল

৭৫৮০ বর্গফুটের ক্যান্টিন ভাড়া ১০০০, তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২৪, ০৪:৩৮ পিএম

মেট্রোরেল উত্তরা ডিপোতে ৭ হাজার ৫৮০ বর্গফুট আয়তনের স্টাফ ক্যান্টিন পরিচালনায় একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মাসিক এক হাজার টাকা ভাড়ায় চুক্তির বিষয়টি তদন্তের নির্দেশনা এসেছে উচ্চ আদালত থেকে। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়।

সড়ক পরিবহন ও সেতু  মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগের সচিবকে তদন্ত শেষ করে এক মাসের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। বিশাল আয়তনের জায়গার এক হাজার টাকা ভাড়া অস্বাভাবিক উল্লেখ করে হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ। আদালতে আবেদনের পক্ষে তিনি শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আযাদ।

গত ১৪ মার্চ ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল)  মহাব্যবস্থাপক (স্টোর ও প্রকিউরমেন্ট) মো. নজরুল ইসলামের স্বাক্ষরে একটি নোটিশে বলা হয়, ভাড়া হিসাবে মাসিক এক হাজার টাকা হারে এক বছরের জন্য ভ্যাট ও আয়কর ব্যতীত সর্বমোট ১২ হাজার টাকা মূল্যে ডিএমটিসিএল’র আওতায় পরিচালনাধীন এমআরটি লাইন-৬ এর উত্তরা ডিপোতে অবস্থিত ৭৫৮০ বর্গফুট স্টাফ ক্যান্টিন পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১ জানুয়ারি (২০২৪) তারিখে দাখিলকৃত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘খন্দকার এন্টারপ্রাইজ’র দরপত্রটি ডিএমটিসিএল কর্তৃক গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়েছে। নোটিশে সাত দিনের মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খন্দকার এন্টারপ্রাইজকে তিন বছরের জন্য চুক্তি সম্পাদন এবং জামানত হিসেবে তিন লাখ টাকা আগামী ২৮ মার্চ জমা দিতে বলা হয়।
 
রিটকারী ব্যারিস্টার তানভীর আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সাড়ে সাত হাজার বর্গফুটের বেশি মানে একটা ছোটখাটো ফুটবল মাঠের মতো। যেখানে রাজধানীর যে কোনো জায়গাতে এই পরিমাণ আয়তনের ভাড়া কত হতে পারে তা সহজেই বোঝা যায়। কিন্তু এখানে মাসিক ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র এক হাজার টাকা। যা খুবই অস্বাভাবিক ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ। হাইকোর্ট বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এখন তদন্তেই বেরিয়ে আসবে এখানে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, কোনো সমস্যা আছে কি না।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত