নেত্রকোণার মদনে পরকীয়ার জেরে শ্যালিকাকে শ্বাসরোধে হত্যা করার অভিযোগ ওঠেছে দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে। শাশুড়ি এ হত্যাকাণ্ড দেখে ফেললে দৌড়ে পালিয়ে যায় জামাই নাঈম মিয়া (৩৩)। সোমবার (২৫ মার্চ) বিকেলে উপজেলার ফতেপুর চত্রকোনা শ্যালিকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মনি আক্তার (১৬) চত্রকোনা গ্রামের নজরুল তালুকদারের মেয়ে। বোন জামাই নাঈম পাশের হাটশিরা গ্রামের বাবুল ভূইয়ার ছেলে।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মনি আক্তার ও খালাতো বোন জামাই নাঈম পাশাপাশি গ্রামের। নাঈম গত দশ বছর আগে মনি আক্তারের খালাতো বোনকে বিয়ে করে। এর মধ্যে তিনি দুই সন্তানের জনক হয়েছেন। মনি তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে স্কুলে যাওয়া আসা করতো। এর ফলে মনির সাথে নাঈম পরকীয়া সম্পর্কে জরিয়ে পড়ে। ২০২৩ সালে মনি এসএসসি পরিক্ষা দেওয়ার পর পারিবারিক ভাবে অন্যত্র বিয়ের কথাবার্তা হয়।
গত ১৩ মার্চ ছেলে পক্ষ মনিকে দেখে যায়। নাঈম বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে ছেলে পক্ষের সাথে দেখা করে বিয়ে ভেঙে দেন। পরে নাঈম মনিকে পালিয়ে বিয়ে করার জন্য চাপ দেন। এ নিয়ে শ্যালিকার সাথে দুলাভাইয়ে মনোমালিন্য হয়। কয়েকদিন আগে বিষয়টি মনি তার মাকে জানায়।
গত কয়েকদিন ধরে নাঈমের ফোন মনি রিসিভ না করায় তিনি ক্ষীপ্ত হয়ে সোমবার ফাঁকা ঘরে প্রবেশ করে। পরে মনির মা মিনা আক্তার ঘরে এসে তার মেয়েকে বালিশ চাপা দিতে দেখে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে নাঈম পালিয়ে যায়।
নিহতের বড় বোনের জামাই নূরুজ্জামান জানান, কয়েকদিন আগে নাঈম তার শ্যালিকার বিয়ে ভেঙে দিয়েছে। এরপর আমরা জানতে পারলাম তাদের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক চলছে। আজ সোমবার বিকেলে ঘর ফাঁকা পেয়ে মনিকে মেরেই ফেলল।
মদন থানার ওসি উজ্জল কান্তি সরকার জানান, ফতেপুর চত্রকোনা থেকে মনি আক্তার নামে এক মেয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা সদও হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী
‘এখন কোথায় থাকব, কি খাব, কিছুই ঘরে নাই’
‘পাকিস্তানীদের সন্তুষ্ট করতে রাজাকারের সন্তানরা ভারতবিরোধীতা করছে’