জামানতের অঙ্ক বাড়ানোসহ বেশকিছু ক্ষেত্রে সংশোধনী নিয়ে ‘উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ২০২৪’ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামানতের পরিমাণ ১০ থেকে ১৫ গুণ বেড়েছে। তবে ইসির এমন আইনি সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট।
গতকাল শুক্রবার বাম গণতান্ত্রিক জোটের সভায় নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জোটের মতে, ‘দেশে এমনিতেই নির্বাচন নেই, নির্বাচন কমিশন সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আশাকে ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে। আর এই জামানত বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে তৃণমূল পর্যায়েও নির্বাচনকে কোটি টাকা ও লুটেরাদের খেলার বস্তুতে পরিণত করা হচ্ছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন ব্যাংক একত্রীকরণের খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, ব্যাংক খাতের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের জেলে ভরার কথা, সেটা না করে সরকার একীভূত করার মধ্য দিয়ে এসব দুর্নীতিবাজকে কি প্রশ্রয় দিচ্ছে? দুর্নীতি লুটপাট, অর্থ পাচারকারী, ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ, এসব ঘটনার নেপথ্যের নায়কদের চিহ্নিত করা এবং এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বামজোট।
নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে ব্যর্থ সরকারের সমালোচনা করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুক্তবাজারের নামে চলমান লুটপাট ও সিন্ডিকেটের ব্যবস্থা বহাল রেখে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। সারা দেশে রেশন ব্যবস্থা, ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু, সরকারি উদ্যোগে নিত্যপণ্যের বাফার স্টক গড়ে তুলতে হবে। এ ছাড়া সিন্ডিকেটের হাত থেকে আমদানি পণ্যকে মুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যসহ বিদ্যুৎ-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির যেকোনো গণবিরোধী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
