গত ঈদুল আজহায় প্রিন্স মাহমুদের সুরে চলচ্চিত্রের গান ‘ঈশ্বর’ মুক্তি পেয়েছিল। সেই গানের রেশ শাকিবের প্রিয়তমাকে টেনে নিয়ে গিয়েছিল অনেক দূর। এরই ধারাবাহিকতায় এবারে আসছে প্রিন্স মাহমুদের গান ‘বরবাদ’। ঈশ্বর গানটি সোমেশ্বর অলি লিখলেও নতুন এই গানটি প্রিন্স মাহমুদ
নিজেই লিখেছেন। গেয়েছেন আলিফ। দেশের আলোচিত সুরকারের সঙ্গে গান নিয়ে কথা বললেন মাহতাব হোসেন
প্রিয়তমার পরে রাজকুমার ছবিতেও নতুন গায়ক, এই চ্যালেঞ্জ কেন নিলেন?
এটা একটা বড় ব্যাপার অবশ্য। কেননা একদমই নতুন একটা কণ্ঠ নিচ্ছি। যেটা এত বড় ক্যানভাসের সিনেমার জন্য অবাক করা বিষয়ই বটে। তবে আমি প্রথম থেকেই শাকিব খান, প্রযোজক আরশাদ আদনান ও নির্মাতা হিমেল আশরাফের সহায়তা পেয়েছি, তাই এমন চ্যালেঞ্জ আমি স্বাচ্ছন্দ্যে নিতে পেরেছি। তারা আমার ওপর সবকিছু ছেড়ে দিয়েছে। এটা আমার জন্য সম্মানের। আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ।
এই গানের বিশেষত্ব কী?
এই গানের কথা ও সুর নব্বই দশকের সঙ্গে এ সময়ের মেলবন্ধন। আমার গান যেমন হয়। আশা করছি এ গানের লুপ-এ পড়ে যাবে। দারুণ চিত্রায়ণ আর শাকিব খানের দুর্দান্ত পারফরমেন্স গানের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গেছে। এটা শুধু এই সময় না, সবসময়ের গান হবে। গানের কথা সুর গায়কিতে ড্রামা আছে ভালো লাগবে।
গানের পেছনের গল্পটা শুনতে চাই...
যারা ভালোবাসায় বরবাদ হয়ে আছেন তাদের জন্য এই গান। তুমুল ভাঙচুর প্রেমের গান। গানের কথাগুলো এমন ... ‘কার জন্য ভেতর মাঝে ওলটপালট লাগে, কেনরে আদর আদর বড্ড মায়া লাগে, কার জন্য ভেতরটাতে আকাশ-পাহাড় আবেগ, কার জন্য আনন্দটা অভিমানী মেঘ, কেন এ টান, কেন এ গান, বোঝে না বোঝে না মন কি চাচ্ছি? ভালোবাসতে বাসতে বরবাদ হয়ে যাচ্ছি।’ বুঝতেই পারছেন কেমন হতে পারে এই গান, কাদের জন্য এই গান।
গানের নতুন গায়ক আলিফ সম্পর্কে বলুন...
আলিফ আমার পরীক্ষিত কণ্ঠ। ওর গলায় এমন কিছু রয়েছে যা আমাকে আকর্ষণ করে। দারুণ সুন্দর গায়, ওর কণ্ঠে যে ড্রামা রয়েছে তাতে মানুষের কাছে, শ্রোতাদের কাছে খুবই ভালো লাগবে। ও দুর্দান্ত গায়। থাকে ঢাকার বাইরে।
বরবাদ রাজকুমারকে কতটা ব্যবসায়িক সাফল্যের দিকে টেনে নিয়ে যাবে?
আমি মনে করি এই ভূমিকা অনেকটাই রাখবে। কেননা গানটা যে শুনবে সেই প্রেমে পড়বে। গানের কথাগুলো দেখেন, এই কথাগুলো প্রেমে পড়ার মতো। ফলে গানটা শ্রোতারা গ্রহণ করবে আর শ্রোতারা গ্রহণ করলে সেটা তো সফলতার প্রাথমিক ধাপ।
আপনার শ্রোতাদের যদি কিছু বলতে চান...
শ্রোতাদের কাছে আমার অনুরোধ রয়েছে। গানটা যেন নিজেদের করে নেয়, সামাজিক মাধ্যমের সবক্ষেত্রে ছড়িয়ে দেয়।
