শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ক্লাস পরীক্ষা বর্জন ছাত্রলীগের মহড়া

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৪২ এএম

ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি চালু করা না করা নিয়ে আবারও আলোচনায় দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। আবরার ফাহাদকে নির্যাতন ও হত্যার জেরে প্রায় সাড়ে চার বছর স্থায়ীভাবে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ রয়েছে বুয়েটে। এ সময়ের মধ্যে যখনই ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ এই ক্যাম্পাসে সক্রিয় হতে চেয়েছে, তখনই সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। সর্বশেষ গত ২৮ মার্চ মধ্যরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসাইন বহিরাগত কিছু নেতাকর্মী নিয়ে বুয়েট ক্যাম্পাসে ঢোকেন বলে অভিযোগ ওঠে, আর এতে বুয়েটেরই কিছু শিক্ষার্থী সহযোগিতা করেন। এর প্রতিবাদে পরদিন সকাল থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন বুয়েটশিক্ষার্থীরা। তারা ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরনের ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে অনড় থাকলেও অনতিবিলম্বে ফের সেখানে ছাত্ররাজনীতি চালুর দাবি জানিয়েছে ছাত্রলীগ।

সংগঠনটির দায়িত্বশীল একজন নেতা দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন দ্রুততর সময়ের মধ্যে বুয়েটে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হবে। এমনকি গতকাল রবিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ শেষে ছাত্রলীগ সভাপতির নেতৃত্বে কয়েকশ নেতাকর্মী বুয়েট ক্যাম্পাসে ঢুকে সেখানকার শহীদ মিনারে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেন। এ ছাড়া বুয়েটে শিগগিরই কমিটি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামে একটি সংগঠন। এমন পরিস্থিতিতে ছাত্ররাজনীতি ফের চালুর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেছেন, শিক্ষার্থীরা চাইলে আবার শুরু হবে। তবে সেই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের দিক থেকেই আসতে হবে।

ছাত্রলীগ সভাপতিসহ সংগঠনটির বহিরাগত নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে সহায়তার অভিযোগ ওঠা বুয়েটশিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইমতিয়াজ রাহিম রাব্বিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে হল থেকে বহিষ্কার করে প্রশাসন। কিন্তু আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা রাব্বিসহ তার সহযোগী বলে অভিযোগ করে আরও ছয় শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি করেন। গতকাল সকাল ৭টা থেকে বুয়েটের শহীদ মিনারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অবস্থান নেওয়ার কথা থাকলেও সেটা পরে স্থগিত করা হয়। তবে পূর্বঘোষিত টার্ম ফাইনাল পরীক্ষা ও ক্লাস বর্জন করেন তারা। পরীক্ষায় ১ হাজার ২১৫ শিক্ষার্থী অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নেন মাত্র একজন। বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্ররাজনীতিবিহীন ক্যাম্পাসের দাবিতে অনড় বলে জানিয়েছেন। রাজনীতিমুক্ত থাকা, অপশক্তির কবল থেকে মুক্ত থাকা এবং নিরাপত্তার নিশ্চয়তা শিক্ষার্থীরা পেলে সব ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে ফেরত যাবেন বলে জানান। এর আগে ক্লাস বর্জন এবং পরীক্ষা রিশিডিউলের (পুনঃতারিখ নির্ধারণ) দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে বুয়েটশিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইমতিয়াজ রাহিম রাব্বিকে হল থেকে বহিষ্কারের প্রতিবাদে সরব হয়েছে ছাত্রলীগ। গতকাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে অনতিবিলম্বে ফের ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি চালুর দাবিতে বুয়েট প্রশাসনকে আলটিমেটাম দিয়েছে সংগঠনটি। বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে নাটক অবহিত করে সে নাটক বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসাইন। পরে প্রকাশ্যে নেতাকর্মীদের নিয়ে বুয়েটে প্রবেশ করেন তিনি এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান। দুপুর আড়াইটার দিকে কয়েকশ নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে বুয়েট শহীদ মিনারে ফুল দেন তারা। ফুল দিয়ে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে আবারও বুয়েট ত্যাগ করেন। এ সময় বুয়েটের মূল ফটক এবং বিভিন্ন হলগুলোর প্রবেশপথগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সংগঠনটির কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত দাবি উঠেছে বুয়েটে দ্রুত ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণার। সমাবেশ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতও সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের কাছে একই দাবি জানান। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন দায়িত্বশীল নেতা নিশ্চিত করেছেন যে, শিগগিরই বুয়েটে কমিটি দেওয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে। তবে তার আগে বুয়েট প্রশাসনকে ছাত্ররাজনীতি ফেরানোর পদক্ষেপ নিতে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করা হবে। বুয়েটে ছাত্রলীগের শতাধিক কর্মী সক্রিয় রয়েছেন বলে জানা যায়। সে ক্ষেত্রে চলতি ঘটনায় হল থেকে বহিষ্কৃত ইমতিয়াজ রাব্বিকে সামনের সারিতে দেখা যেতে পারে বলে জানা গেছে।

গতকাল বিকেল ৫টায় সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেন বুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হুমকি প্রদানের অভিযোগ তোলেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে গতকালের নির্ধারিত কর্মসূচি পালন করতে পারেননি বলে জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, আন্দোলনরত সব ব্যাচের শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাজনিত তীব্র শঙ্কার কারণে সমবেত হননি। ক্যাম্পাসের আশপাশের সব এলাকায় শনিবার রাত থেকে ক্রমাগত মাইকিং, শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনে কল করে হুমকি-ধমকি প্রদান, সোশ্যাল মিডিয়ায় নানারকম গুজব, বুয়েটশিক্ষার্থীদের মিথ্যা ট্যাগ দেওয়া, শিক্ষার্থীদের ছবি, নাম, পরিচয়সহ ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ক্ষুন্ন করা হয়েছে। গুরুতরভাবে নিরাপত্তা বিঘিœত হয় এমন সব অপপ্রচার চালানো হয়েছে। আন্দোলনরতরা নির্দিষ্ট কোনো সংগঠন নয়, বরং সব ধরনের রাজনীতির বিরুদ্ধে। নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের সঙ্গে তাদের সামান্য পরিমাণ যোগাযোগও নেই।

তবে বুয়েটে আন্দোলনের নামে কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা আছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গতকাল রাজধানীর মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ডিএমপির ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। সেখানে আমাদের টিম রয়েছে। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করছি। তদন্ত করে পরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ছাত্ররাজনীতি বন্ধের নামে বুয়েটকে জঙ্গিবাদের কারখানায় পরিণত করা হচ্ছে কি না সরকার খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি গতকাল রাজধানীতে দলীয় এক সভায় দেওয়া বক্তব্যে এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করার নামে বুয়েটকে জঙ্গিবাদ, অপরাজনীতির কারখানায় পরিণত করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই রকম হলে সরকারকে অ্যাকশনে যেতে হবে। বুয়েটে আবরার হত্যাকাণ্ডে আমরা ছাড় দিইনি। আজকে আমি রাজনীতি করি, সেখানে বুয়েটে যেতে পারব না? এটা কোন ধরনের আইন? এটা কোন ধরনের নীতি?’

অন্যদিকে বুয়েট পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠানে বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জোর করে বিশ্ববিদ্যালয় দখলের চেষ্টা করছে। এই সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।’

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘তারা জোর করে ক্যাম্পাস দখলের চেষ্টা করছে। সরকার শিক্ষা খাতকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে।’

বুয়েটে কমিটি দেওয়ার ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের : বুয়েটে শিগগিরই কমিটি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামে একটি সংগঠন। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিগগিরই বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্মরা বুয়েটে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কমিটি দিয়ে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে বুয়েট প্রশাসনকে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বাধ্য করবে।

বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি ফের চালু হবে কি না, জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) রাজনীতি করা বন্ধ হয়েছিল। তারা চাইলে আবার শুরু হবে। তবে সেই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের থেকেই নিতে হবে।’

উপাচার্য আরও বলেন, রাজনীতি না করলে দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ আসবে না। রাজনীতি করার অধিকার সবারই আছে। আন্দোলন ছেড়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে যাওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সামগ্রিক বিষয়ে সিদ্ধান্তে যাবে বলেও মন্তব্য করেন সত্য প্রসাদ মজুমদার।

বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত সবাই ছিলেন ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার নেতাকর্মী। এ ঘটনায় করা মামলার রায় হয় ২০২১ সালে। রায়ে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেয় আদালত।

আবরার হত্যার ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। তাদের তুমুল দাবির মুখে ২০১৯ সালের ১১ অক্টোবর বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ওইদিন (২০১৯ সালের ১১ অক্টোবর) শিক্ষার্থীদের সামনে তৎকালীন উপাচার্য ড. সাইফুল ইসলাম ঘোষণা দেন বুয়েটে কোনো ধরনের সাংগঠনিক রাজনীতি থাকবে না। উপাচার্য নিজের ক্ষমতাবলে ক্যাম্পাসে সব ধরনের ছাত্ররাজনীতি এবং রাজনৈতিক সংগঠন ও তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বুয়েট ক্যাম্পাসে শিক্ষক রাজনীতিও নিষিদ্ধ করা হয়।

ক্যাম্পাসে সব ধরনের র‌্যাগিং ও নির্যাতন বন্ধ করা হবে উল্লেখ করে ওইদিন ড. সাইফুল ইসলাম বলেছিলেন, এ ধরনের নির্যাতন প্রতিরোধে একটি ‘কমন প্ল্যাটফর্ম’ গড়ে তোলা হবে। যেখানে পরিচয় গোপন রেখে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ জানাতে পারবে। এসব অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ ত্বরিত ব্যবস্থা নেবে।

এরপর ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বুয়েটের নিয়মিত শিক্ষার্থীর পদ পাওয়ার ঘটনা আলোচনায় এলে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের পুরনো বিজ্ঞপ্তিটি ২০২৩ সালের ১৯ জুন আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রচার করে বুয়েট প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বুয়েটের সব শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে জানানো যাচ্ছে, বুয়েটে সব রাজনৈতিক সংগঠন এবং এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী অনুমোদিত ক্লাব-সোসাইটি ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দল বা এর অঙ্গসংগঠনের অথবা অন্য কোনো সংগঠনের সদস্য হতে বা তার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।’

শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের নিয়মগুলো যথাযথভাবে পালন করতে হবে এবং এগুলো অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বুয়েটের কোনো শিক্ষার্থীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অন্য কোনো মাধ্যমেও সাংগঠনিক-রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত