ক্যামেরার জন্য মরতে হলো কিশোর সম্রাটকে

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪৯ পিএম

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় জাকারিয়া আলম সম্রাট নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ শনিবার (২০ এপ্রিল) গভীর রাতে উপজেলার পশ্চিম বাটি গ্রামের একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জাকারিয়া আলম সম্রাট উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের আফজল হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় কাজী আজহার আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল।

স্থানীয়রা জানান, নিহত জাকারিয়া আলম সম্রাটের কাছ থেকে একই উপজেলার পশ্চিম বাটি গ্রামের মিলন হাজারীর ছেলে রিফাত হোসেন কয়েকদিন আগে একটি ক্যামেরা ভাড়া নেয়। এরপর সম্রাটকে না জানিয়ে রিফাত হোসেন ক্যামেরাটি অন্য এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে। গত বুধবার রাতে সম্রাট তার ক্যামেরা ফিরত ও ভাড়ার টাকা চান। গত বৃহস্পতিবার রাতে রিফাত হোসেন তার বাড়িতে ক্যামেরা ফিরত দেবে বলে সম্রাটকে ডেকে নেয়। একপর্যায়ে রিফাত ও তার সহযোগীরা সম্রাটকে হত্যা করে। পরে বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে সম্রাটের লাশ রেখে দেয়।

এদিকে, সম্রাট বাড়িতে না ফেরায় তার স্বজনরা সাঘাটা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি) করে। জিডির পর পুলিশ গতকাল রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সম্রাটের বন্ধু রিফাতকে আটক করে থানায় নেয়। একপর্যায়ে রিফাত সম্রাটকে হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ রিফাতের বাড়ির পাশে সেপটিক ট্যাংক থেকে সম্রাটের লাশ উদ্ধার করে।

সাঘাটা থানার ওসি মমতাজুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত রিফাত হোসেনকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত