প্রিমিয়ার ডিভিশন হকি লিগ নিয়ে কম নাটক করেনি মোহামেডান। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে, শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে লিড থেকেও তারা খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সমালোচনা উসকে দিয়েছে। আবার রিফিউজড টু প্লে করেও মেতে উঠেছে নির্লজ্জ জয়োল্লাসে। এই নাটকের দুদিন পর, অর্থাৎ রবিবার আবার ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে চেয়েছে ক্রীড়ামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ। অন্যথায় হকি বয়কটের হুমকিও দিয়েছে ক্লাবটি। অথচ যেটা ছিল তাদের দায়িত্ব, খেলোয়াড়দের বেতনটাই পরিশোধ করেনি এখন পর্যন্ত। যে কারণে খেলা শেষ হওয়ার পরও হকি খেলোয়াড়রা বেতনের আশায় অবস্থান করছেন ক্যাম্পে। অথচ এমনটা হওয়ার কথা ছিল না। লিগের শেষ দিন পর্যন্ত শিরোপা সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে খেলোয়াড়দেরই ছিল সবচেয়ে বড় অবদান। তাদেরই এখন অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে প্রাপ্য পারিশ্রমিকের।
ক্যাম্পে খেলোয়াড়দের অবস্থান সম্পর্কে মোহামেডানের কোচ শহিদুল্লাহ টিটু ও ম্যানেজার আরিফুল হক প্রিন্স অবশ্য বেতনের কোনো যোগসূত্র খুঁজে পাচ্ছেন না। তাদের বিশ্বাস আজ-কালের মধ্যেই বকেয়ার জটিলতা কেটে যাবে। তবে ক্লাবেরই এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘খেলোয়াড়রা অনেক কষ্ট করে দলকে শিরোপার পথে রেখেছিল। তাদের অবশ্যই লিগ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রাপ্য পারিশ্রমিক বুঝিয়ে দেওয়া উচিত ছিল।’
এর আগে লিগের প্রথম পর্বে আবাহনীর বিপক্ষে ম্যাচের দুদিন আগে পারিশ্রমিকের দাবিতে ক্যাম্প ত্যাগ করেছিলেন হকি খেলোয়াড়রা। পরে অবশ্য ক্লাব সভাপতির আশ্বাসে ক্যাম্পে ফিরে আসেন তারা। সে সময় প্রতিশ্রুতি ছিল লিগ চলাবস্থায় সব পারিশ্রমিক পরিশোধ করা হবে না। তবে কর্তারা সে কথা না রেখে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নানা নাটক মঞ্চায়নে।
অল্পবিস্তর বয়েকা আছে আবাহনী ও মেরিনার্সের খেলোয়াড়দেরও। তবে এসব নিয়ে খেলোয়াড়রা মোটেই চিন্তিত নন। তারা আশ্বাস পেয়েই ফিরে গেছেন নিজ নিজ গন্তব্যে।
