বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

হিন্দি চলচ্চিত্রের আমদানি ঠেকাব: ডিপজল

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৩৩ পিএম

সদ্য শেষ হওয়া চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। নতুন দায়িত্ব পেয়েই চলচ্চিত্রের আমূল পরিবর্তনের আভাস দিলেন তিনি। দেশ জুড়ে জেলা শহরগুলোতে মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণ করবেন, এফডিসিকে চাঙ্গা করে তুলবেন। একই সঙ্গে হিন্দি ছবি আমদানি ঠেকানোর চেষ্টাও করবেন। ডিপজলের পরিকল্পনা জানতে তার মুখোমুখি হয়েছেন মাহতাব হোসেন


নিপুণকে হারিয়ে আপনি সাধারণ সম্পাদক হলেন, শিল্পীরা কেন আপনাকে ভোট দিয়েছে?

নিশ্চয়ই কারণ আছে। আমাকে কোনো কারণে শিল্পীরা পছন্দ করে এজন্যই ভোট দিয়েছে। পছন্দ না করলে তো ভোট দিত না। নিপুণ দুই বছর চালিয়েছে। সেও জনপ্রিয়। কিন্তু শিল্পীরা এবার আমাকে বেছে নিয়েছে। আমিও কৃতজ্ঞ তাদের কাছে।


শিল্পীদের বেকারত্ব দূরীকরণ, এফডিসির কর্মচাঞ্চল্য ফেরাতে কোনো উদ্যোগ নেবেন কি?

দেখেন রিজিকের মালিক আল্লাহ। শিল্পীদের বেকারত্ব আমি দূর করতে পারব কি না জানি না। তবে আমি সারা বছর সিনেমা বানাব। সেখানে শিল্পীরা কাজ করবেন। আমার সেন্সর করা তিনটা সিনেমা আছে। সেসব রিলিজ দেব। গরম কমলে আরও ৫টা নতুন ছবির কাজ শুরু করব। সেখানে তো শিল্পীরাই কাজ করবেন। এছাড়াও নতুন প্রযোজক যেন সিনেমা নির্মাণে আসেন সেই উদ্যোগও নেব।

হিন্দি ছবির আমদানি থেকে এই কমিটি লভ্যাংশ নেবে?

দেখেন হিন্দি ছবি আমদানি কীভাবে হলো সেটাই আমি জানি না। এই কমিটি বলে তারা পক্ষে ছিল না, ওই সংগঠন বলে তারা পক্ষে ছিল না। আর লভ্যাংশ নেওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। আমরা তো হিন্দি ছবি আমদানির পক্ষে না। হিন্দি ছবি যেন আমদানি না হয় সেই চেষ্টা করব। আমরা দেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিকে চাঙ্গা করতে চাই। হিন্দি ছবিকে জায়গা ছেড়ে দিতে চাই না। কলকাতার বাংলা ছবি আসুক আমার আপত্তি নেই।

হিন্দি ছবি তো দেশের হলগুলোকে সচল রাখছে, অনেকেই এমন দাবি করে...

মোটেও না। এই কথার সঙ্গে আমি একমত না। হিন্দি সংস্কৃতি আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির জন্য খারাপ। দেশীয় সংস্কৃতি ধ্বংস করে দেবে হিন্দি ছবির এমন আমদানি অব্যাহত থাকলে। মুখ থুবড়ে পড়বে দেশীয় চলচ্চিত্র। যারা বলছেন হিন্দি ছবি হল সচল রাখে, তারা সঠিক বলছেন না। নিয়ম করে দেশীয় সিনেমা মুক্তি দিলে হল এমনিতেই সচল থাকবে। আমি সেটাই করিয়ে দেখাব। এক বছরের মধ্যে আপনারা পরিবর্তন দেখতে পারবেন।

কী এমন পরিবর্তন করবেন, দেশীয় চলচ্চিত্রের জন্য সেটা কতটা ইতিবাচক হবে?

দেখেন আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে সারা দেশের প্রত্যেক জেলায় মাল্টিপ্লেক্স করব। এইসব মাল্টিপ্লেক্সে বাংলা ছবি চলবে। খুব শিগগির আমি উদ্যোগ নিচ্ছি। এ বিষয়ে নানাজনের সঙ্গে কথা বলছি। এইসব মাল্টিপ্লেক্সে শুধু বড়লোকেরা সিনেমা দেখতে পারবে, স্বল্প আয়ের মানুষেরা দেখতে পারবে না, তা হবে না। টিকিটের মূল্য খুবই কম রাখব, যেন সাধারণ মানুষ সিনেমা দেখার সুযোগ পান। কোনো বাড়তি চাপ বোধ যেন না করেন কেউ।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত