দেশের প্রথিতযশা ক্রীড়াসাংবাদিক ও গবেষক জিয়াউল হক আর নেই। সোমবার আনুমানিক বিকেল সোয়া পাঁচটায় রাজধানীর মিরপুরের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। ক্রীড়াসাংবাদিক ও ক্রীড়ালেখকদের সুপ্রাচীন সংগঠন বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির (বিএসপিএ) সভাপতি ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও একমাত্র পুত্রসহ অনেক শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
দীর্ঘ কর্মময় জীবনে মরহুম জিয়াউল হক বেশির ভাগ সময়ে ক্রীড়া সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক ইত্তেফাকে সিনিয়র সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পূর্বে কর্মজীবনের শুরুতে কাজ করেছেন দৈনিক পূর্বদেশসহ আরো কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে। জিয়াউল দুই মেয়াদে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির (যা বর্তমানে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন হিসেবে সমাধিক পরিচিত) সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
তাকে খুব কাছ থেকে দেখা মাসিক ক্রীড়া জগত সম্পাদক ও বিএসপিএর সাবেক সভাপতি দুলাল মাহমুদ বলেন, ‘আমরা একজন অভিভাবককে হারালাম। তিনি ক্রীড়াসাংবাদিকতার পাশাপাশি অন্যান্য সাংবাদিকতায়ও সাক্ষর রেখে গেছেন। ভীষণভাবে ক্রীড়ালেখক সমিতিকে ভালোবাসতেন। প্রচুর বই পড়তেন এবং মানুষকে বই পড়তে এবং বই প্রকাশে উদ্বুদ্ধ করতেন। এমন একজন মানুষকে হারানো আমাদের সংগঠনের জন্য অনেক বড় ক্ষতি।'
আজ বাদ এশা মিরপুরের সাংবাদিক আবাসিক এলাকায় মসজিদুল ফারুকে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্টিত হয়। আগামীকাল তাঁকে কালশী কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। জিয়াউল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিএসপিএ।
