আইপিএলে মাত্র ১৫ বলে দুবার ফিফটি করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। মাত্র ৬ ইনিংস ব্যাট করে ২৫৯ তুলেছেন ২৩৩ স্ট্রাইক রেটে। ফিফটি আছে তিনটা। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১০০ রান করেছেন এমন ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তার স্ট্রাইক রেট সবচেয়ে বেশি। তবুও অস্ট্রেলিয়ার ১৫ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা হয়নি জেইক ফ্রেজার-ম্যাকগার্কের। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টি-টোয়েন্টিতে এখনো অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ম্যাকগার্কের আইপিএল পারফরম্যান্সকে বিবেচনা করা হয়নি।
আগামী ১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিজ্ঞদের ওপর ভরসা রেখে দল সাজিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকেরা।
তবে সুযোগ পাননি অস্ট্রেলিয়ার প্রজন্ম সেরা ব্যাটসম্যান স্টিভ স্মিথ। যদিও তার বাদ পড়াটা খুব বড় চমক নয়। অনেক দিন ধরেই স্মিথ ফর্মহীন ছিলেন। সর্বশেষ নিউজিল্যান্ড সফরে তাকে সুযোগ দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে সেখানেও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন তিনি। আর তাই ক্যারিয়ারে ২০১২ সালের পর এই প্রথমবার বিশ্বকাপ মিস করতে যাচ্ছেন স্মিথ। সেবার শ্রীলঙ্কায় বসা আসরটিতে তিনি খেলতে পারেননি চোটের কারণে।
অস্ট্রেলিয়া স্পিনার অ্যাস্টন অ্যাগারকে তাদের বিশ্বকাপ দলে রেখেছে। চতুর্থ পেসার হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন নাথান এলিস। বাকি তিন পেসার—মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও প্যাট কামিন্স।
টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই আছেন ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেড। মিডল অর্ডার সামলানোর দায়িত্ব গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টায়নিস, ম্যাথু ওয়েডের।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি জানিয়েছেন, যারা প্রাথমিক দলে নেই তাদের ওপর চোখ রাখা হবে, ‘কয়েকজন খেলোয়াড় যারা প্রাথমিক দলে সুযোগ পায়নি তাদের ওপর নজর রাখা হবে। মনে রাখবেন, যদি আমরা দলে পরিবর্তন আনতে চাই, আইসিসির নিয়ম মেনে আমাদের সেটা করার সুযোগ আছে।’
অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), ডেভিড ওয়ার্নার, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস, অ্যাডাম জাম্পা, অ্যাস্টন অ্যাগার, ম্যাথু ওয়েড, ক্যামেরন গ্রিন, টিম ডেভিড, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড, প্যাট কামিন্স।
