মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

মার্ক্সের জন্মদিনে বিদায় 'বামপন্থি ফুটবল' গুরুর

আপডেট : ০৬ মে ২০২৪, ০৯:৫৩ পিএম

কার্ল মার্ক্সের জন্মদিনে মারা গেলেন সিজার লুইস মেনোত্তি। দাড়িওয়ালা, গাঁট্টাগোট্টা, খেলাধুলা নিয়ে তেমন আগ্রহ না থাকা মার্ক্সের বিপরীতই বলা চলে সদা ক্লিন শেভড, চেইন স্মোকার, ফুটবল দুনিয়াকে বদলে দেওয়া আর্জেন্টাইন মেনোত্তিকে। আর এতটাই লিকলিকে ছিলেন যে ওকে ডাকা হতো এল ফ্লাকো বা ‘চিকন’ মানুষ বলে। 

এতটা অমিল হলেও, মেনোত্তি অবশ্য ছিলেন মার্ক্সের দর্শনের ভক্ত, সমাজতন্ত্রকে মানতেন মানবমুক্তির পথ হিসেবে, এমনকি ফুটবলের সৃষ্টিসুখের উল্লাসে মাতোয়ারা এই শিল্পী ভাবতেন, মানবজীবনের এই অনিন্দ্য আনন্দধারার সঠিক দিকনির্দেশনাও তাই। 

‘ফুটবল দুই রকমের- ডানপন্থি ফুটবল আর বামপন্থি ফুটবল’ বলতেন মেনোত্তি।  ‘ডানপন্থি ফুটবল আমাদের বোঝাতে চায় যে জীবন খুব কষ্টকর। চায় ত্যাগ আর তিতিক্ষা। এই পদ্ধতি চায় আমরা যাতে যন্ত্র হয়ে পড়ি আর যে কোনো মূল্যেই জিতি। ডানপন্থি ফুটবলের মূলমন্ত্র হচ্ছে আনুগত্য আর নিষ্ঠা, ক্ষমতায় যারা থাকে তাদের ভক্তি।’ 

আর মেনোত্তির ধারার বামপন্থি ফুটবল হচ্ছে নিজে আনন্দ পাওয়া, দর্শককে আনন্দ দেওয়া, মাঠের এগারোজন আর গোটা গ্যালারির দর্শকদের এক অদ্ভুত আনন্দের নাগরদোলায় চেপে জীবনের জয়গান গাওয়া। সেখানে জয় ব্যাপারটা নেহাতই একটা ফলাফলের মতো। 

অথচ, এই মেনোত্তিই ছিলেন চ্যাম্পিয়ন। আর্জেন্টিনার বহু যুগের আফসোস মিটিয়ে ফুটবলপাগল দেশটাকে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দিয়েছিলেন রোজারিওতে জন্ম নেওয়া এই কোচ। সেই রোজারিও, যেখানে জন্মেছিলেন ফুটবল জাদুকর মেসি, যদিও ফুটবলের ইতিহাসকে নতুন করে লেখা মেনোত্তির অন্যতম এক অধ্যায় ছিল ফুটবল ঈশ্বর ম্যারাডোনাকে বিশ্বের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। 

মেনোত্তির ধারার বামপন্থি ফুটবল হচ্ছে নিজে আনন্দ পাওয়া, দর্শককে আনন্দ দেওয়া, মাঠের এগারোজন আর গোটা গ্যালারির দর্শকদের এক অদ্ভুত আনন্দের নাগরদোলায় চেপে জীবনের জয়গান গাওয়া। সেখানে জয় ব্যাপারটা নেহাতই একটা ফলাফলের মতো। 

ম্যারাডোনার আলাপে পরে আসছি, ফুটবলকে বামপন্থি আর ডানপন্থি ভাগে ভাগ করলেও মেনোত্তিকে মুখোমুখি হতে হয়েছিল এক জটিল জীবন জিজ্ঞাসার। আর্জেন্টিনায় রাজনীতির এক টালমাটাল অবস্থায় ক্ষমতায় আরোহণ করেন সামরিক স্বৈরশাসক হোর্হে রাফায়েল ভিদেলা। 

কী করবেন মেনোত্তি? স্বৈরশাসকের কারণে জাতীয় দলের দায়িত্ব উপেক্ষা করবেন নাকি দেশের মানুষকে আনন্দে ভাসানোর সুযোগ নেবেন? দ্বিতীয়টিই বেছে নিলেন তিনি। আর স্বভাবসুলভভাবেই নিজের খেলোয়াড়দের রক্ষা করলেন কর্র্তৃপক্ষের রোষানল থেকে। ততদিনে যে তিনি হয়ে উঠেছেন লা নুয়েস্ত্রা নামক ফুটবল আদর্শের সেনাপতি। 

‘চিকন মানুষ’ মেনোত্তি

লা নুয়েস্ত্রা হচ্ছে আক্রমণাত্মক, ফুরফুরে মেজাজের ফুটবল। আমরা ল্যাটিন আমেরিকার ফুটবলের অপার সৌন্দর্যের যে ঐতিহ্যের কথা বলি- তার আর্জেন্টাইন সংস্করণ। আর্জেন্টিনার শ্রমিক শ্রেণির ফুটবলাররা রাস্তায় বা বস্তিতে ফুটবল খেলতেন অতি অল্প জায়গা জুড়ে। সেটুকু জায়গাতেই পায়ের অবিশ্বাস্য কারিকুরি দেখানোটা ছিল জীবনের অন্য ক্ষেত্রে পোড় খাওয়া এই মানুষগুলোর স্বপ্নের রঙ্গমঞ্চ। লা নুয়েস্ত্রা শব্দটার অনুবাদ করলে দাঁড়ায় ‘আমাদের কৌশল’। এই কৌশলে অল্প জায়গাতেই ড্রিবলিং, নাটমেগ, স্পিনসহ নানান দক্ষতার প্রয়োগ হতো। আর যখন বিপক্ষ দলের পায়ে বল থাকত, মেনোত্তির দর্শন ছিল, ‘দি বিলজ’, নিজেদের সীমানার অনেক ওপরে এসে হাইলাইন ডিফেন্স।

ফুটবলার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার করেন ১৯৬৯ সালে আর তার পরের বছর মেনোত্তি মেক্সিকো বিশ্বকাপে গিয়ে খুব কাছ থেকে দেখলেন ব্রাজিল দলের খেলা। সে দলের খেলায় যে পদে পদে আক্রমণের ফুল ফুটত, মাও সেতুং-এর ভাষ্যমতে শত ফুল এক হয়ে অবিশ্বাস্য মালা গাঁথার গল্প লিখত, তা দেখে তিনি কেবল বিস্মিতই হন না, সেই ধারা আমদানি করেন নিজের দেশ আর্জেন্টিনায়। 

তখন আর্জেন্টিনায় ‘অ্যান্টি-ফুটবলের’ জয়জয়কার। ভীষণ বর্ণবাদী সে দেশে কালো মানুষদের নিকেশ করা হয়েছিল, সবচেয়ে বেশি প্রভাব ছিল ইতালীয়দের আর ফুটবলটাকে দেখা হতো কোনোভাবে তালা বন্ধ করে রুদ্ধদ্বার রক্ষণ দিয়ে জয় তুলে আনার এক সংগ্রাম হিসেবে। মেনোত্তি এর বিরুদ্ধে এলেন দমকা হাওয়া হয়ে। 

এর ফলাফল পাওয়া গেল হাতেনাতে। মেনোত্তির অধীনে খেলা হুরকান ১৯৭৩ সালে আর্জেন্টাইন মেট্রোপলিটানো চ্যাম্পিয়নশিপ জিতল রোজারিও সেন্ট্রালকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে। অবশ্য, শুধু বড় ব্যবধানে জিতলেই আর মেনোত্তি কেন! মেনোত্তির আসল জাদু টের পাওয়া যায় যখন সেদিনের বিপক্ষ দলের দর্শকরা হুরকানের অনবদ্য প্রদর্শনী দেখে দাঁড়িয়ে তালি দিয়েছিল গ্যালারিজুড়ে। 

ফুটবল লেখক জোনাথন উইলসনের লেখনীতে ফরোয়ার্ড কার্লোস ব্যাবিংটনের ভাষ্য, ‘সে দুর্ধর্ষ প্রদর্শনী। ওয়ান টাচ ফুটবল, নাটমেগ, গামবেটাস, সম্বরেরোস, ওয়ান-টু, ওভারল্যাপ।’ মেনোত্তির দল যেন একাধারে আরবীয় কবিদের মতো উচ্ছল আর গ্রিক দার্শনিকদের মতো সৌম্য। ভূমধ্যসাগরীয় নারীদের মতো প্রেমের উন্মাদনা ছড়িয়ে দিত প্রতিটি দর্শকের লোমকূপে। 

মেনোত্তি ফুটবলার হওয়াটাকে ভাবতেন অতীব এক সৌভাগ্যের ব্যাপার হিসেবে। ফুটবলাররা কেবল তাদের বুটের জাদুতে দর্শকদের মোহনীয় করে রাখবে না, তাদের যৌথ স্বপ্নের এক দুর্দান্ত কাব্য লিখবে সবুজ ঘাসের ওপর। 

খুব স্বাভাবিকভাবেই, সমাজতন্ত্রী মেনোত্তি ভাবতেন, একটা দল হচ্ছে একটা আদর্শ। একটা যৌথ খামার। আর কোচের কাজ হচ্ছে সেই আদর্শের মন্ত্র খেলোয়াড়দের বুকে গেঁথে দেওয়া। ফুটবল বিজ্ঞানের নিবিষ্ট ছাত্র মেনোত্তি গ্রহণ করলেন ৪-৩-৩ এর আদর্শ। 

তার সৌভাগ্য, এই ফরম্যাটে খেলার মতো দুর্দান্ত কিছু খেলোয়াড় ছিল আর্জেন্টাইন জাতীয় দলে। মারিও কেম্পেসের গতি, সঙ্গে লিওপাল্ডো লুকাস আর অস্কার অর্তিজের বুদ্ধিমত্তা, যিনি লিংআপ প্লে করতেন। মধ্যমাঠে ওসসি আরদিলেসের সৃষ্টিশীলতা আর  উইংয়ে রেনে হাউসম্যানের গতি-ড্রিবলিং।

এই দলটা এতটাই ভালো ছিল যে, মেনোত্তির পক্ষে সম্ভব ছিল ১৭ বছরের জাদুকর ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখার। তিনি জানতেন, এই ছেলে ভবিষ্যতে দুনিয়াসেরা হবে, এত অল্প বয়সেই তাকে তাই চাপের মুখে পড়তে দেননি। বরং পরের বছর যুব বিশ্বকাপে তাকে খেলিয়ে চ্যাম্পিয়ন করালেন, দুনিয়াকে পরিচয় করালেন ফুটবল ঈশ্বরের সঙ্গে। 

বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে মেনোত্তি

ফিরে আসা যাক ১৯৭৮ বিশ্বকাপে। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ নিয়েই কেবল দেশের অবরুদ্ধ মানুষকে খুশি করতেই তিনি দলকে খেলালেন দারুণ দক্ষতায়। অবশ্য তাতে ইতিহাসের কলঙ্কও তার বোঝা হয় পেরুর সঙ্গে এক লজ্জাজনক ‘পাতানো’ খেলার দায়ে। সেদিন দলের জয় নিশ্চিত করতে জেনারেল ভিদেলা কাজে লাগিয়েছিলেন সামরিক আর রাজনৈতিক শক্তি। শেষতক আর্জেন্টিনাই অধরা বিশ্বকাপটা জিতে যায়। মেনোত্তি সে জয় উৎসর্গ করেন গোটা দেশবাসীকে। মেনোত্তির কিছু খেলোয়াড় ভিদেলাকে উপেক্ষা করার সাহস পর্যন্ত দেখান গুরুর উদ্দীপনায়। আর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর জন্ম হয় এক দারুণ দৃশ্যের। 

আর্জেন্টিনা ফাইনালে জেতার পর ডিফেন্ডার তারানতিনি আর গোলকিপার ফিলোল যখন মাঠের মধ্যে পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে আলিঙ্গন করছিলেন, গ্যালারি থেকে দৌড়ে গিয়ে সেখানে যোগ দেন এক তরুণ- ভিক্তর দেল আকিলা। 

দুজনের জড়িয়ে ধরার পাশে দাঁড়িয়ে তিনি কাল্পনিক দুহাত দিয়ে দুই বিশ্বকাপ জয়ীকে জড়িয়ে ধরে জন্ম দেন এক অবিশ্বাস্য মুহূর্তের। 

কাল্পনিক কেন? কারণ ১২ বছর বয়সে দুর্ঘটনায় দুই হাত হারিয়েছিলেন ভিক্তর। ফুটবলের বিজয় সেদিন তার হারানো হাতকে বানিয়ে দিয়েছিল ‘ঈশ্বরের হাত’। ভিদেলার নোংরা বিশ্বকাপ হয়ে ওঠে দুর্বল, অসহায় মানুষের বিজয়োল্লাসে।

মেনোত্তিকে অবশ্য শুধু বিশ্বকাপ কিংবা ম্যারাডোনার গুরু বললেই যথেষ্ট হয় না, আর্জেন্টিনার ফুটবলকে তিনি পুরোটাই বদলে দিয়েছিলেন। একদিকে তিনি ছিলেন দার্শনিক, অন্যদিকে ছিলেন কড়া মাস্টারমশাই। 

যে কারণে, মেনোত্তির বিপরীত দর্শনের কোচ কার্লোস বিলার্দো পর্যন্ত তার দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। ম্যারাডোনার জাদুতে বিলার্দোর দল আরেকবার বিশ্বকাপ জেতে ১৯৮৬ সালে। মেক্সিকোতে। যেখানে মেনোত্তি আর্জেন্টিনার ফুটবলের জন্য নতুন স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন। 

আর্জেন্টিনার ফুটবলের দর্শন পরিষ্কারভাবেই দুভাগ হয়ে যায়। মেনোত্তির দর্শনে ফুটবলকে আক্রমণ আর আনন্দের ব্যাপার করে তোলেন মার্সেলো বিয়েলসার মতো মেনোত্তিজরা আর বিপরীতে দিয়েগো সিমিওনের মতো কোচরা পূজা করেন অ্যান্টি ফুটবলের।

মেনোত্তির এই দর্শন স্বাভাবিকভাবেই আর্জেন্টিনার গণ্ডিতে আটকে থাকেনি। তা ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপেও। ইয়োহান ক্রুইফের আদর্শে বেড়ে ওঠা বার্সেলোনায় মেনোত্তি মাত্র বছরখানেক কোচ হিসেবে ছিলেন, কিন্তু সেখানেও তিনি রেখে যান দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব। বার্সেলোনা আর স্পেনের অলস সৌন্দর্যের টিকিটাকা ফুটবলে মেনোত্তির দর্শনের ভ‚মিকা ছিল। আর এ কারণেই কি না, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তার পছন্দের কোচ ছিলেন পেপ গার্দিওলা।

কোচদের কোচ মেনোত্তি  

এই স্প্যানিশকে তিনি ডাকতেন ফুটবলের চে গুয়েভারা বলে। মধ্যপ্রাচ্যের তেলের টাকায় ভাসা কোচের এহেন টাইটেল দেখলে অনেকেই হয়তো ভড়কে যাবেন, কিন্তু তিনি ধারণ করেন মেনোত্তির আনন্দময় দর্শন। এ যুগে হয়তো মেনোত্তির মতো ডাগআউটে চেইনস্মোক করা, লিকলিকে শরীর নিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাওয়া, খেলোয়াড় আর ভবিষ্যৎ কোচদের ওপর দ্রোণাচার্যের মতো প্রভাব রাখা কঠিনই। ফুটবল তো এখন অনেকটাই পণ্য, বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা। সেখানে বামপন্থি আর ডানপন্থি ফুটবলের দর্শন বাদ দিয়ে মুনাফার দর্শনই কালের চাওয়া হয়ে গেছে। 

তবুও, আশি পেরোনো মেনোত্তি জীবনের শেষ মাস্টারস্ট্রোকটা খেললেন। তিনি ২০১৯ সালে, ৮১ বছর বয়সে আর্জেন্টিনার ফুটবল ডিরেক্টরের পদ গ্রহণ করলেন। সেই ম্যারাডোনার সময়ের পর আর্জেন্টিনা আর বিশ্বকাপ জেতে না। এমনকি মেসির প্রভাবেও তা হচ্ছিল না। শেষবার মেসি কি পারবেন?

কাতার বিশ্বকাপের জন্য মেনোত্তি ভরসা রাখলেন এক আনকোরা আর্জেন্টাইন কোচের ওপর। যুবদলের কোচ লিওনেল স্কালোনি। বছর চল্লিশেকের সেই কোচ যে একজন আপাদমস্তক মেনোত্তিস্কি। মেনোত্তি দর্শনের একনিষ্ঠ ছাত্র। 

২০২২ বিশ্বকাপে মেনোত্তি

বাকিটা আর বলার কি দরকার আছে? ফেসবুকে এখনো দেখা যায়, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রথম অমুক আর তমুকের গল্প। মেসিদের হাতে দেখা সেই বিশ্বকাপ এখনো হাজার হাজার মাইল দূরের বাংলাদেশিদের বুঁদ করে রেখেছে। এর রূপকার মেনোত্তি। যার কাছে জয় পরাজয় নয়, মানুষের যৌথ স্বপ্নের অনির্বচনীয় পূরণই ছিল লক্ষ্য।

সেই স্বপ্নের রেশটা কোথাকার এক বাংলাদেশ, যাদের ফুটবল নিয়ে কোনো আশা নেই কেবল আছে পাগলামি, তারাও টের পেয়েছিল। বিপুল পরিমাণ জীবনযুদ্ধে পরাজিত মানুষ সেদিন যূথবদ্ধ স্বপ্নের নাগরদোলায় ভেসেছিল, আর তা দেখে হয়তো ৮৫ বছরের এক দার্শনিক ঠোঁটের সিগারেটটায় আরও জোর টান দিয়েছিলেন। 

বিদায় চিকন মানুষ, আপনাকে আমরা মনে রাখব। 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত