দেশ রূপান্তরে সংবাদ প্রকাশ

ঢাবি অধ্যাপকের পিএইচডি জালিয়াতি তদন্তে কমিটি 

আপডেট : ০৭ মে ২০২৪, ১১:৫০ পিএম

এমফিলের থিসিস নকল করে পিএইচডি ডিগ্রি নেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক নিয়মিত সভায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পিএইচডি অভিসর্দভ জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে প্রধান করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল বাছিরকে। এছাড়াও সদস্য হিসেবে আছেন মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ এবং তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এসএম জাভেদ আহমেদ। কমিটিকে এক মাসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে আজ দেশ রূপান্তর পত্রিকায় 'তত্ত্বাবধায়ককে বাধ্য করে ঢাবি শিক্ষকের পিএইচডি আদায়' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বেশ আলোচিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিনের বিরুদ্ধে গবেষণানীতি অমান্য করে একই গবেষণাপত্র এমফিলে ও পিএইচডিতে ব্যবহার করার প্রমাণ রয়েছে। শিরোনাম পাল্টে আগের অংশ পরে এবং পরের অংশ আগে উল্লেখ করে একই লেখা দিয়ে দুটি ডিগ্রি নিয়েছেন তিনি। রেফারেন্স ছাড়া অন্যের লেখা ব্যবহার করে যেমন প্ল্যাজিয়ারিজম করেছেন, তেমনি নিজের লেখায় ব্যবহৃত উদ্ধৃতি-কবিতা-বক্তব্যের উল্লেখ না করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন। ফলে যা ছিল তার এমফিল থিসিস তা অনেকাংশেই তার পিএইচডি থিসিস। এক পরিশ্রমে দুটি ডিগ্রি! ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছেন তিনি— দ্রুততম সময়ে লেকচারার থেকে অধ্যাপক। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত