রিয়াল মাদ্রিদের কাছে শেষ সময়ের আচমকা দুই গোলে সেমিফাইনাল থেকে বায়ার্ন মিউনিখের বিদায় হলেও যোগ করা সময়ে ম্যাথিয়াস ডি লিখটের অফসাইডে বাতিল হওয়া গোল নিয়ে বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছেই না। ওই গোলটি এসেছিল টমাস মুলারের হেড থেকে বাড়িয়ে দেওয়া বলে। সংবেদনশীল সময়ের বাতিল হওয়া ওই গোল নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন মুলার।
রেফারি বাঁশি বাজানোয় এটি আদতেই অফসাইড হয়েছে কি-না, তা আর ভিএআরে যাচাই করার সুযোগ ছিল না। পরবর্তীতে দেখা যায়, অফসাইডের সিদ্ধান্তটি 'ক্লোজ' ছিল। ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে রেফারির সিদ্ধান্ত সম্পর্কে মিলার বলেন, ‘মারচিনিয়াক? সে ভিডিওটা দেখেনওনি। সে এটা দেখার সুযোগটাও নিলো না। এটা সত্যিই বিস্ময়কর, এমন একটা মুহূর্তে, এতো দ্রুত বাঁশি বাজালেন।’
এরপরই মাদ্রিদের দিকে আঙুল তোলেন মুলার। অভিযোগের সুরে বলেন, ‘মাদ্রিদে প্রায়ই এমনটা হয়। কয়েক বছর আগেও আমার এমন অভিজ্ঞতা হয়েছিল। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো দুই গোল করেছিলেন। কিন্তু সে সময় ভিএআর ছিল না।’
২০১৯-২০ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথমবার ভিএআর ব্যবহৃত হয়। এর আগে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে এ দুদল মুখোমুখি হয়েছিল। সেবার প্রথম লেগে বায়ার্নের মাঠে প্রথম লেগে ২-১ গোলে জয় পায় রিয়াল। ফিরতি লেগে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হ্যাটট্রিকে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় রিয়াল। সেই ম্যাচে রোনালদোর দুটি গোল অফসাইড থেকে করা বলে দাবি করেছিল বায়ার্ন।
গতরাতে যোগ করা সময়ের ১৩ মিনিটে জশুয়া কিমিখের দূরপাল্লার পাস ধরতে মুলার ও ডি লিখট দুজনই দৌড় দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই মুহূর্তেই অফসাইডের পতাকা তোলেন লাইনসম্যান। এরপরেই বাঁশি বাজান রেফারি সিমন মারচিনিয়াক। রিয়ালের খেলোয়াড়রা বাঁশিতে থেমে গেলে মুলার হেডে বল বাড়িয়ে দেন ডি লিখটের দিকে। ডি লিখটও বল পাঠান জালে। কিন্তু তখন খেলা ‘প্লে অন’ অবস্থায় ছিল না। তাই ফিফার নিয়মানুযায়ী ভিএআর যাচাইয়ের সুযোগও ছিল না।
ওই গোলটি হলে বায়ার্ন ম্যাচে সমতায় ফিরত। ফলে খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়াতে পারতো।
