গাজার বুকে ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ইসরায়েলি জায়নবাদের নির্মম হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদ এবং বিশ্বব্যাপী ছাত্র আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সমাবেশ এবং মানব পতাকা প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ মে) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে 'মার্চ ফর প্যালেস্টাইন' ব্যানারে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানান অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা।
সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, অনুষদ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তারা ‘ফ্রম দ্য রিভার টু দ্যা সি-প্যালেস্টাইন উইল বি ফ্রি’, ‘ওয়ান, টু, থ্রি, ফোর-অকুপেশন নো মোর’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।
সমাবেশ থেকে শিক্ষার্থীরা তিন দাবি জানান। তাদের দাবিগুলো হলো, ফিলিস্তিনে দ্রুত গণহত্যা বন্ধ করতে হবে, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন বিশ্বিবদ্যালয়ে আন্দোলনে নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে এবং ইসরায়েলকে সামরিকসহ সব ধরনের সহায়তা বন্ধ করতে হবে।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম বলেন, আজকে ফিলিস্তিনের লড়াই শুধু ফিলিস্তিনের নয় সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। সারা দেশের সব ছাত্র এবং তরুণরা এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছে। সেখানে শুধুমাত্র শিক্ষার্থীরা নয় শিক্ষকরাও নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। আমরা তাদের আন্দোলন এবং ত্যাগের সাথে সংহতি জানাচ্ছি। আমাদের তিনটি দাবি- গাজায় গণহত্যা বন্ধ করতে হবে, সারা বিশ্বে ফিলিস্তিনের পক্ষে গড়ে ওঠা আন্দোলনগুলোতে নির্যাতন বন্ধ করতে হবে, এই গণহত্যায় ইসরাইলকে সামরিক এবং অর্থনৈতিক সহায়তা বন্ধ করতে হবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আলী সোহেল বলেন, আজকে আমরা ফিলিস্তিনের ভাই-বোনদের দুঃখ কষ্ট কে নিজেদের দুঃখ কষ্ট মনে করছি, কারণ আমরা ফিলিস্তিনিদের মত সকল প্রকার জুলুম নির্যাতনের শিকার হচ্ছি। ফিলিস্তিনের লড়াই এবং বিরোধী আমাদের লড়াই ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। ভারতের হিন্দুত্ববাদী রেজিম নরেন্দ্র মোদীর বেস্ট ফ্রেন্ড ওই নেতিনিয়াহু, আমেরিকার আঙুলের ইশারায় এখনো পর্যন্ত আমাদের দেশের ফ্যাসিস্ট সরকার কায়েম রয়েছে। ফিলিস্তিনি এবং আমাদের এই লড়াইকে আন্তর্জাতিক রূপে পরিগ্রহ করতে হবে।
৪৬তম বিসিএসের প্রিলির ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১০৬৩৮
হবিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২