তবু তো রায় হলো

আপডেট : ১০ মে ২০২৪, ০৮:১৭ এএম

২৫ বছর আগে চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী খুনের ঘটনায় ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আবদুল আজিজ, ট্রাম্প ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম ও আদনান সিদ্দিকীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বাকি সাত আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক অরুণাভ চক্রবর্তী এই রায় ঘোষণা করেন। তবে এ রায় নিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে কোনো প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়নি। অনেকেই রায় হয়েছে কি না জানেন না। সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় চলচ্চিত্র কর্মীরাও এ রায়ে ছিলেন নিশ্চুপ।

এ বিষয়ে জানতে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম না রায় হয়েছে। সোহেল চৌধুরীর খুনিদের বিচার আমরা বরাবরই চেয়েছি। আজ রায় হয়েছে শুনে ভালো লাগল। এতদিন ধরে ঝুলে ছিল এটা, তবু তো রায় হলো, এটা ইতিবাচক। আমাদের সমাজে যে অন্যায়গুলো হচ্ছে, এসবের জন্য আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা দরকার। চলচ্চিত্র অঙ্গনে এমন ঘটনার ক্ষেত্রে এটা আরও বেশি জরুরি। তাই এই রায় সেসব নৃশংস ঘটনাকে কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে।’ রায় ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে সোহেল চৌধুরীর মেয়ে লামিয়া চৌধুরী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা তো ফেরত আসবে না। অপরাধীরা যেটা করেছেন, সেটার জবাব উনাদেরই দিতে হবে। উনাদের যাবজ্জীবন হোক কিংবা যেটাই হোক বাবার মৃত্যু আমার জীবনে যে প্রভাব ফেলেছে, সেটা কোনোভাবেই পরিবর্তন হবে না। রিয়েলিটি নিয়েই আমাকে থাকতে হবে। এখন তাদের বিচারে আমাদের কোনো কিছুই পরিবর্তন হয়নি, হবেও না।’

১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীর ট্রাম্প ক্লাবের সামনে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই খুনের মামলায় ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আবদুল আজিজ, ট্রাম্প ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম ও আদনান সিদ্দিকীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বাকি আসামিদের খালাস

দেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত