প্রথম ধাপে যারা উপজেলা চেয়ারম্যান

আপডেট : ১০ মে ২০২৪, ০৫:২৮ এএম

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে গত বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। এতে পরদিন গতকাল বৃহস্পতিবার প্রাপ্ত বেসরকারিভাবে বিজয়ী এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাওলানা ফজলুল হক খান সাহেদ দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ৩৭,৫৫৯ ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ স ম কামরুল ইসলাম কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩,৮৫২ ভোট।

জুড়ী উপজেলায় কাপ-পিরিচ প্রতীকে নিয়ে কিশোর রায় চৌধুরী মনি ১৯,৯১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মোঈদ ফারুক আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৫,১৮৮ ভোট।

বড়লেখা উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতা আজির উদ্দিন মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩০,৬০৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৭,৯২৭ ভোট।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দীন খান মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩৬,৮৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত মুক্তারুল হক মুকু ঘোড়া প্রতীকে পান ১১,৮৬৬ ভোট।

আটোয়ারী উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান ঘোড়া প্রতীকে ৩০,৭৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম মোটরসাইকেল প্রতীকে পান ২৫,৮৮৭ ভোট।

পঞ্চগড় সদর উপজেলায় ঘোড়া প্রতীকে সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধানের ছেলে এএস মো. শাহনেওয়াজ প্রধান ৩১,৯৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্যের সমর্থিত ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যের দেবর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম মোটরসাইকেল প্রতীকে পান ১৫,৩৮৭ ভোট।

নাটোর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে টানা তৃতীয়বারের মতো ৩৪,৭৯৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী শরিফুল ইসলাম রমজান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম মাসুম। তিনি পেয়েছেন ৩১,৮৫৩ ভোট।

নলডাঙ্গায় চেয়ারম্যান পদে ১১,২৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জোড়া ফুল প্রতীকের প্রার্থী রবিউল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৌহিদুর রহমান লিটন কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে। তার প্রাপ্ত ভোট ১০,৭১৭।

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে চেয়ারম্যান পদে শরাফ উদ্দিন আজাদ ২৯,৬০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। কমলনগরে বিজয়ী হয়েছেন খালেদ সাইফুল্লাহ। তার প্রাপ্ত ভোট ১৮,২৩২ ভোট।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীকের মিজানুর রহমান মাসুম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিন্দ্বদ্বী জেএম রশীদুল আলম দোয়াত-কলম প্রতীকে ৪৩,১৭০ ভোট পেয়েছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল কাদের। তিনি পেয়েছেন ৩৩,৯৯২ ভোট। তার কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা আবু রেজা মোস্তফা কামাল শামীম পেয়েছেন ১০,৮৭০ ভোট।

গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন রেজাকে পরাজিত করেছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আশরাফ হোসেন আলীম। নির্বাচনে আশরাফ হোসেন পেয়েছেন ৪০,৬২০ ভোট এবং হুমায়ুন রেজা পেয়েছেন ৪০,০৬১ ভোট।

ভোলাহাট উপজেলা নির্বাচনে ১৩,০৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আনোয়ারুল ইসলাম। তার কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল খালেক পেয়েছেন ১০,৭৬৬ ভোট।

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মেহেদি হাসান বাবু (দোয়াত-কলম) প্রতীকে ২৬,০৯০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর জায়েসী আশরাফী জেমস (মোটরসাইকেল) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৯,৪৭৬ ভোট।

অন্যদিকে রামপাল উপজেলা পরিষদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন (আনারস) প্রতীক নিয়ে ২৪,১৯৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্তমান কমিটির সদস্য এসএম জামিল হাসান ২৩,৯৪৭ ভোট পেয়েছেন।

মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে শাজাহান খানের ছেলে আসিবুর রহমান খান এবং মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পাভেলুর রহমান শফিক খান নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। নির্বাচনে আসিব খান ৭৫,৫৯৪ ভোট ও পাভেলুর রহমান শফিক খান পেয়েছেন ৬১,৩০৩ ভোট।

রাজৈর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোহসিন মিয়া বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৪৩,৭৪১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহীন চৌধুরী পেয়েছেন ৩১,৫৫৪ ভোট। মহসিন মিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় (কাপ-পিরিচ) প্রতীক নিয়ে লিয়াকত হোসেন বাচ্চু বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত।

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে ৩০,৪৫২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রদীপ রায়। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রঞ্জন রায় (ঘোড়া প্রতীকে) ১৯,৯০৬ ভোট পেয়েছেন।

শাল্লা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অবনী মোহন দাস (ঘোড়া প্রতীকে) ২৩,৯০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গনেন্দ্র চন্দ্র সরকার পেয়েছেন ১৪,৫৭৪ ভোট পেয়েছেন।

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ডেভিড রানা চিসিম আনারস প্রতীক নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৮,৬৩৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. আসাদুজ্জামান আকন্দ সাগর ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২১,৩৪৮ ভোট।

হালুয়াঘাটে চেয়ারম্যান পদে মোহাম্মদ আবদুল হামিদ আনারস প্রতীকে ৩৪,১৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি নাজিম উদ্দিন (দোয়াত-কলম) পেয়েছেন ২৮,০৭৭ ভোট।

ফুলপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতীক নিয়ে অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৪৯,৩৯১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউল করিম রাসেল ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬,২১৬ ভোট। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত