আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় ৩০০ এর বেশি মানুষ নিহত: ডব্লিউএফপি

  • সরকারি তথ্যমতে মৃত্যুর সংখ্যা ১৫৩ হলেও জাতিসংঘ বলছে মৃত্যু হয়েছে তার দ্বিগুণ
  • ক্ষতিগ্রস্থ প্রদেশ বাঘলানে ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে বলছে ডব্লিউএফপি
আপডেট : ১২ মে ২০২৪, ০১:০৫ পিএম

উত্তর আফগানিস্তানে প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির তালেবানের স্বরাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

স্থানীয় সময় শনিবার এ তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল মতিন কানি। তিনি জানান, আকস্মিক বন্যায় তিনটি প্রদেশে আহতের সংখ্যা ১৩৮ জন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

তবে আফগানিস্তানের সরকারি তথ্যমতে মৃত্যুর সংখ্যা ১৫৩ জন হলেও জাতিসংঘ বলছে মৃত্যু হয়েছে তার দ্বিগুণ।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) বলছে, বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ প্রদেশ বাঘলানে ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে। সেখানে এক হাজারেরও বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে শুক্রবারও ভারী বর্ষণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে, এরফলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে তালেবান সরকারের প্রধান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, "শত শত মানুষ এই বিপর্যয়কর বন্যায় নিহত হয়েছে এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আহত হয়েছে"।

তিনি আরও জানান, বাঘলান ছাড়াও, উত্তর-পূর্বের বাদাখশান প্রদেশ, মধ্য ঘোর এবং পশ্চিম হেরাতও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ব্যাপক পরিমাণে ধ্বংসযজ্ঞের ফলে উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান এই মুখপাত্র।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) শনিবার এএফপি বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছে যে শুধুমাত্র বাঘলানেই ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং হাজার হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে শনিবার তালেবান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমান বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত ব্যক্তিকে সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেছে।

এছাড়া আক্রান্ত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের খাদ্য, ওষুধ এবং প্রাথমিক চিকিৎসা বিতরণ শুরু করেছে বলে জানিয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত