ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার থলিয়ারায় আসামি ধরতে গিয়ে বাড়ির নারী ও শিশুদের মারধর, পিস্তল তাক করে ভয় দেখানো ও গুলি করার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে জেলা পুলিশের তদন্ত কমিটি। গতকাল সোমবার সকাল থেকে তদন্ত করছে তারা।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিশেষ শাখা মো. জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটিতে আরও রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল বিল্লাল হোসেন ও পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ওসি ক্রাইম হাবিবুল্লাহ বাহার।
এর আগে গত রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তাদের তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতেও বলা হয়। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের থলিয়ারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, থলিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা ও সৌদিপ্রবাসী নূরুল আলম নূরুর বিরুদ্ধে মাসখানেক আগে সদর থানায় একটি মামলা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয় নূরুল আলম নূরু সৌদি থেকে আরেকজনের স্বর্ণ এনে পুরোটা বুঝিয়ে দেননি। শুক্রবার বিকেলে নূরুল ইসলাম বাড়িতে থাকার খবর পেয়ে ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।
ডিবির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আফজাল হোসাইন বলেন, ‘আসামি ধরতে গিয়ে ওই বাড়িতে সমস্যা হয়। তবে যেহেতু কোনো পুলিশ আহত হননি সে কারণে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’ গুলি করা কিংবা পিস্তল তাক করার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, থলিয়ায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান নিয়ে অভিযোগ ওঠায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। তারা যথাযথ কাজ করে তিন কার্যদিবসে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
