ফ্রান্সের নরম্যান্ডির রুয়েন শহরের কাছে একটি প্রিজন ভ্যানে অতর্কিত হামলার ঘটনায় দুই ফরাসি কারারক্ষী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবারের (১৪ এপ্রিল) এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও তিন কর্মকর্তা। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে দুজনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ফরাসি গণমাধ্যম জানিয়েছে, মোহাম্মদ এ নামের একজন বন্দিকে ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়ার সময় এই হামলা হয়। এ সময় বন্দি হামলাকারীদের সঙ্গে পালিয়ে যান। পরে তার খোঁজে কয়েক শত পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।
ফ্রান্সের আইনমন্ত্রী এরিক ডুপন্ড-মোরেটি বলেছেন, প্রিজন ভ্যানে আক্রমণের জন্য ‘ভারী অস্ত্র’ ব্যবহৃত হয়েছে। দুই কারারক্ষী মারা গেছেন। একজন স্ত্রী ও দুই সন্তানকে রেখে গেছেন। দুই দিন পর তাদের ২১তম জন্মদিন উদযাপন করার কথা ছিল। অন্যজন পাঁচ মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে রেখে গেছেন।
বিবিসি জানিয়েছে, ফরাসি গণমাধ্যম পালিয়ে যাওয়া বন্দিকে মোহাম্মদ এ বলে শনাক্ত করেছে। ১৯৯৪ সালে জন্ম নেওয়া মোহাম্মদ এ মাদকসংক্রান্ত অপরাধ ও হত্যাচেষ্টার বেশ কয়েকটি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত। এদিন সকালে রুয়েনে আদালতের শুনানিতে অংশ নেওয়ার পর বন্দিকে ইভরেক্স শহরের কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। মহাসড়কে একটি টোল বুথের কাছে স্থানীয় সময় ১১টা নাগাদ অতর্কিত হামলাটি হয়।
জানা গেছে বেশ কয়েকজন ব্যক্তি হামলায় অংশ নেয়। দুটি গাড়িতে করে প্রিজন ভ্যানের কাছে পৌঁছেছিল তারা। বন্দি ব্যক্তি ও হামলাকারীরা একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। পরে গাড়িটি কাছেই পুড়ে যাওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়।
এদিকে পলাতক মোহাম্মদ এ’র আইনজীবী হুগেস ভিজিয়ার বলেছেন, যা ঘটেছে তাতে আমি হতবাক। এই সহিংসতা অকল্পনীয়। আমি বিশ্বাস করতে চাই আমার মক্কেল তাকে মুক্ত করার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতেন না। তিনি এভাবে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেননি।
চলন্ত বাইকে প্রেমিকের কোলে তরুণী, পুলিশের সামনেই চুটিয়ে রোমান্স!