টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর শুরু হবে ১ জুন থেকে। এবারের বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে হবে মোট ১৬টি ম্যাচ। এই ষোলো ম্যাচের আটটি হবে নিউইয়র্কের নাসাউ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
দুই মাস আগে সম্পূর্ণ খোলা ময়দানে কাজ শুরু হয় এই স্টেডিয়ামটির। বিশ্বকাপ ভেন্যুটি প্রস্তুত হয়ে গেছে দুই মাসেই।
যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ইয়র্কের নাসাউ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ আছে বাংলাদেশের। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভারত-পাকিস্তানেরও খেলা আছে এই স্টেডিয়ামে। স্টেডিয়ামটির দর্শক ধারণ ক্ষমতা ৩৪ হাজার।
স্টেডিয়ামটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচনের পর সেখানে পা রেখেছেন এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুভেচ্ছা দূত উসাইন বোল্ট, ক্যারিবীয় কিংবদন্তি কার্টলি অ্যামব্রোস ও পাকিস্তানের শোয়েব মালিকসহ আরও অনেকে।
স্টেডিয়ামটি নিয়ে উসাইন বোল্ট বলেন, 'নতুন স্টেডিয়ামে (ক্রিকেট) দেখাটা দারুণ হবে। আপনি খেলা (অ্যাকশন) খুব কাছ থেকে দেখতে পারবেন। আমি কল্পনা করতে পারছি নাসাউ কাউন্টি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামী মাসে ক্রিকেট সমর্থকরা এলে কি দুর্দান্ত আবহ হবে।'
ক্রিকইনফো জানিয়েছে এই মাঠে ১ জুন ভারতের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। আর ১০ জুন বিশ্বকাপ ম্যাচে বাংলাদেশ এই মাঠে খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকারর বিপক্ষে।
বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৯ জুন নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামে ভারত বনাম পাকিস্তানের ম্যাচ হওয়ার কথা। ভারত এই মাঠেই আয়ারল্যান্ড এবং আয়োজক দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরও মুখোমুখি হবে।
এই স্টেডিয়ামের অবকাঠামোর সঙ্গে মিল রয়েছে লাস ভেগাসের ফর্মুলা ওয়ান রেসিং কারের সার্কিটের সঙ্গে। এই মাঠে বসানো হয়েছে ড্রপ-ইন পিচ।
নতুন করে ভেন্যুটি প্রস্তুত হওয়ায় পিচের ধরন কারও জানা নেই। তবে ধারণা করা হচ্ছে এখানকার পিচ হবে অনেকটা অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডের মতো।
অস্ট্রেলিয়ার 'অ্যাডিলেড টার্ফ সলিউশনস' ড্রপ-ইন পিচ তৈরিতে বিখ্যাত। অ্যাডিলেডের পিচ প্রস্তুতকারক ড্যামিয়েন হাউয়ের অধীনে তৈরি হয় ক্রিকেটের এসব পিচ।
