পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে নিহত ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমিরাব্দুল্লাহিয়ানসহ দেশটির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দাফন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তাবরিজে।
হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যু হলেও বিষয়টি মেনে নিতে পারছে না দেশটির জনগণ। মাতম চলছে মুসলিম বিশ্বজুড়ে। ইব্রাহিম রাইসি তার দায়িত্ব পালনকালে নানা সময় বক্তব্য দিয়েছিলেন। তবে মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে আজারবাইজান সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি বাঁধ প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শেষ বক্তব্য দিয়েছিলেন রাইসি।
যেখানে তিনি বলেছিলেন, এই মুহূর্তে ইসলামি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ফিলিস্তিন। কোনো সন্দেহ নেই যে, আজারবাইজান ও ইরানের জনগণ ফিলিস্তিনি ভাইদের পাশে রয়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দুই দেশের অবস্থান দৃঢ়। তবে এ বিষয়ে ইসলামি দেশগুলোর ঘুম ভাঙতে হবে। তাদের উচিত নির্যাতিত ভাইদের জন্য এগিয়ে আসা।
রাইসি আরও বলেন, দুটি মুসলিম দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে ইরান সবসময়ই গুরুত্ব দেয়। আমরা কেবল ইরান ও আজারবাইজানের মধ্যেই সহযোগিতা অব্যাহত রাখব না। বরং আঞ্চলিক এবং আন্তঃআঞ্চলিক সহযোগিতাও অব্যাহত রাখব।
এদিকে আল জাজিরা জানায়, তাবরিজের জানাজা শেষে আরও কয়েকটি স্থানে জানাজার আয়োজনের কথা রয়েছে। পরে রাইসি, আব্দুল্লাহিয়ানের মরদেহ তেহরানে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে আরও একটি জানাজা হবে। তেহরানে অনুষ্ঠিতব্য জানাজা নামাজের ইমামতি করবেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সেখানে বিদেশী বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। সেখান থেকে রাইসির মরদেহ ইরানের উত্তর-পূর্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদে নিয়ে যাওয়া হবে দাফনের জন্য; যেখানে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং বেড়ে উঠেছিলেন।
রাইসির কুয়াশাঘেরা মৃত্যু
সৌদিতে গ্রেপ্তার আরও ১৬ হাজার