বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

মোংলা বন্দরে সাত নম্বর বিপদ সংকেত, পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ

আপডেট : ২৬ মে ২০২৪, ০৮:৩৬ এএম

ঘূর্ণিঝড় রুপ নেওয়ায় সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারির পর উপকূলীয় বাগেরহাটে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি রাতে জরুরী সভা করেছে। বাগেরহাটে প্রস্তুত করা ৩৫৯টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নিতে কাজ করবে প্রায় ৫ হাজারের বেশি সেচ্ছাসেবক।

এদিকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারি হওয়ায় মোংলা বন্দরে সব ধরনের কাজ বন্ধ রেখেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

রোববার সকাল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিবে এসব সেচ্ছাসেবক দল। জেলা ত্রাণ ও পূনবার্সন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, ‘সাত নম্বর মহা বিপদ সংকেত জারির পর জেলা প্রশাসক মোহা, খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাতে রেডক্রিসেন্ট ও সিপিপির সেচ্ছাসেবকরা উপকূলের মাইকিং শুরু করেছে। বাসিন্দাদের জন্য প্রস্তুত করা আশ্রয় কেন্দ্রে আসার জন্য বলা হচ্ছে। এই কাজে জেলায় পাঁচ হাজারের বেশি সেচ্ছাসেবক কাজ করবে। রোববার সকাল থেকে বাসিন্দাদের আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া শুরু হবে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বিশুদ্ধ পানি ও শুকনা খাবার রাখা হবে। দুর্যোগ মোকাবলা করতে সব ধরনের প্রস্তুতি হাতে নেওয়া হয়েছে।‘

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান বলেন, ‘বন্দরে বর্তমানে ছয় দেশিবিদেশী জাহাজ অবস্থান করছে। মহাবিপদ সংকেত জারির পর বন্দরে পণ্য ওঠা-নামাসহ সব ধরনের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্দরের  জাহাজগুলো ও বন্দরের নিজস্ব জলযান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।  কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে যা যা করণীয় রয়েছে তা ইতিমধ্যে শেষ করেছি।‘

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত