জাল ভোট, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, সংঘর্ষ, আচরণবিধি লঙ্ঘন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আটক, এজেন্টের কারাদণ্ড এবং ভোট কারচুপি নিয়ে প্রার্থীদের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ ও ইভিএম মেশিন বিকলসহ নানা ঘটনার মধ্যে দিয়ে গতকাল বুধবার শেষ হয়েছে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ। আগের দুই ধাপের মতো এবারের নির্বাচনেও ভোটের হার ছিল কম। অধিকাংশ উপজেলার ভোটকেন্দ্রে ছিল ভোটার খরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের ধারণা, ৩৫ শতাংশের কমবেশি ভোট পড়েছে।
প্রথম ধাপে ১৩৯ উপজেলার নির্বাচনে ভোট পড়ার হার ছিল ৩৬ শতাংশ। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলার নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৩৮ শতাংশ।
এদিকে আগের দুই ধাপের মতো এবারও চেয়ারম্যান পদে জয়ী প্রায় সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। গতকাল রাত ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত বেসরকারি ফলাফলে ৫৪টি উপজেলার মধ্যে ৪৯টিতে আওয়ামী লীগের সাবেক ও বর্তমান নেতারা জয়ী হয়েছেন। বাকি পাঁচটি উপজেলার মধ্যে জাতীয় পার্টি দুটিতে এবং নির্দলীয় প্রার্থী জয় পেয়েছেন তিনটি উপজেলায়।
গতকালের ভোটগ্রহণ শেষে সিইসি বলেন, ভোটের টার্ন আউট ৩৫ শতাংশের কমও হতে পারে, বেশিও হতে পারে। নিশ্চিত ফিগার পেতে ২০ থেকে ২২ ঘণ্টা সময় লাগবে। সীমিত পরিসরে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে, তারা ভোট কারচুপির চেষ্টা করছিলেন। সর্বোপরি ভালো ভোট হয়েছে।
সিইসি বলেন, রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর এলাকায় ইউপিডিএফের প্রভাব রয়েছে। তারা কিছু ব্যালট ছিনতাই করেছে, তবে সে কারণে ভোট বন্ধ হয়নি। ছিনতাই করা ব্যালট বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া নানিয়ারচরের জাহানতলী এলাকায় ৫০-৬০ ইউপিডিএফ সদস্য গন্ডগোল করার চেষ্টা করেছিল, তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে প্রতিহত করা হয়েছে। চট্টগ্রামের পটিয়ার একটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। একজন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং একজন এজেন্টকে অবৈধভাবে ব্যালটে সিল মারার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিরোধী দল বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর বর্জনের মুখে চার ধাপের ষষ্ঠ উপজেলা নির্বাচন চলছে। দেশের ৪৯৫ উপজেলার মধ্যে নির্বাচন উপযোগী ৪৮৫ উপজেলায় চার ধাপে ভোট হচ্ছে এবার। গতকাল শেষ হয় তৃতীয় ধাপের নির্বাচন। এ ধাপে ১১২ উপজেলায় ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও ভোট হয়েছে ৮৭ উপজেলায়। ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে ২২ উপজেলায় ভোট স্থগিত করা হয়। এ ছাড়া আইনি জটিলতা ও অন্যান্য কারণে আরও তিন উপজেলায় ভোটগ্রহণ হয়নি।
তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে গতকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলে। তৃতীয় ধাপে ইভিএমে ভোট হয়েছে ১৬ উপজেলায়। বাকিগুলোতে ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ হয়েছে।
প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের চেয়ে এবারের ভোটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নির্বাচন কমিশনের (ইসির) কঠোর অবস্থানের মধ্যেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় নানা ধরনের অনিয়ম ঘটেছে। ফেনী সদর, দাগনভূঞা ও সোনাগাজী উপজেলায় জাল ভোট দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ওই অভিযোগে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং এজেন্টসহ ১০ জনকে আটক করা হয়।
চট্টগ্রামের পটিয়ায় একটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ফরিদপুরের সদরপুরে জাল ভোট দেওয়ায় একজনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় পোলিং কর্মকর্তার ‘প্রক্সি’ দিতে গিয়ে একজন আটক হয়েছেন।
এ ছাড়া রাজশাহীর পবা ও মোহনপুর উপজেলায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রংপুর সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেনের (আনারস প্রতীক) ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
ভোটারশূন্য কেন্দ্র : ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের জাটিয়া ইউনিয়নের ঘাগড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ নম্বর মহিলা বুথে দুই ঘণ্টায় মাত্র তিনটি ভোট পড়ে। উপজেলার আরও তিনটি কেন্দ্র ঘুরে ভোটার উপস্থিতি খুবই কম দেখা গেছে। ভোটারদের চাপ না থাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীদের অলস সময় পার করতে দেখা যায়।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের বণিক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৯টায় অলস বসে আইসক্রিম খেতে দেখা যায় কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের।
কেন্দ্রের ভেতরে ফাঁকা ছিমছাম পরিবেশ, বাইরে উৎসাহী মানুষের ভিড়। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের খুকনি ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগ্রাম সকোরি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে দুপুর ১২টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, ছয়টি বুথের মধ্যে একটিতেও ভোটার নেই। নির্বাচনী কর্মকর্তা এবং আনসার ও পুলিশ সদস্যরা যে যার মতো বসে অথবা দাঁড়িয়ে গল্প করছেন।
জাল ভোট-অনিয়ম, নির্বাচনী কর্মকর্তা গ্রেপ্তার-প্রত্যাহার : ফেনীর তিন উপজেলায় বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে ১৪ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে পিটিআই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট প্রদানের সময় পোলিং এজেন্ট নাছির উদ্দিন মানিক ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহআলমকে আটক করেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বেলা ১১টার দিকে চারজন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা। এই চারজন হলেন সদর ইউনিয়ন ভোটকেন্দ্রের মীরা শীল, অঞ্জন দেব ও সিরাজুন নেহার চৌধুরী এবং হাউজিং স্টেট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রশান্ত কুমার দেব।
বগুড়া শহরের জুবিলী ইনস্টিটিউশনের দুটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মতিউর রহমান ও মো. আবু সালেহকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়।
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানের মালপদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টার সময় দুজনকে আটক করা হয়।
ফরিদপুরের সদরপুরের আব্দুল হাকিম মাতুব্বর ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট প্রদানের সময় একজনকে আটক করে এক হাজার টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুর ও আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে ভোট চলাকালে সিল দিয়ে ব্যালটের ছবি তোলা এবং জাল ভোট দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে পাঁচ যুবককে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বগুড়ার শাজাহানপুরের বামুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে এক প্রার্থীর পক্ষে স্লিপ বিতরণের অভিযোগে বহিরাগত হিসেবে শেরপুর পৌরসভার কাউন্সিলর শুভ ইমরানকে আটক করে পুলিশ।
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের ভেতরে দেশীয় অস্ত্রসহ চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফুল ইসলাম জুয়েলের এজেন্ট মাসুক মিয়াকে আটক করে পুলিশ।
বগুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা যুবলীগ সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটনের বিরুদ্ধে কেন্দ্র থেকে অন্য দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভোট বর্জন : কুমিল্লার দেবিদ্বারে ভোটগ্রহণ শেষের ১৫ মিনিট আগে ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র দখল, জাল ভোটসহ এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন চেয়ারম্যান প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টারের স্ত্রী শাহিদা আক্তার।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই শাহাদাত হোসেন এবং আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান বাদল ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র দখল, জাল ভোটসহ এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
৫৪ উপজেলার মধ্যে ৪৯টিতেই জয়ী আ.লীগ : আগের দুই ধাপের মতো এবারও চেয়ারম্যান পদে জয়ী প্রায় সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। গতকাল রাত ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত বেসরকারি ফলাফলে ৫৪টি উপজেলার মধ্যে ৪৯টিতে আওয়ামী লীগের সাবেক ও বর্তমান নেতারা জয়ী হয়েছেন। বাকি পাঁচটি উপজেলার মধ্যে জাতীয় পার্টি দুটিতে এবং নির্দলীয় প্রার্থী জয় পেয়েছেন তিনটি উপজেলায়।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে আখতারুল ইসলাম, নীলফামারী সদরে আবুজার রহমান, দিনাজপুরের খানসামায় সহিদুজ্জামান শাহ, সদরে ইমদাদ সরকার ও চিরিরবন্দরে সুনীল কুমার সাহা, লালমনিরহাট সদরে মো. কামরুজ্জামান সুজন, রংপুর সদরে ইকবাল হোসেন, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এজাহার আলী ও ভূরুঙ্গামারীতে নুরুন্নবী চৌধুরী জয় পেয়েছেন।
বগুড়ার শাজাহানপুরে সোহরাব হোসেন সান্নু ও সদরে শুভাশীষ পোদ্দার লিটন, নওগাঁর রানীনগরে রাহিদ সরদার ও আত্রাইয়ে এবাদুর রহমান প্রামাণিক, পাবনার ঈশ্বরদীতে এমদাদুল হক, আটঘরিয়ায় মো. তানভীর ইসলাম ও সদরে মো. সোহেল হাসান নির্বাচিত হয়েছেন।
সাতক্ষীরা সদরে মশিউর রহমান ও কলারোয়ায় আমিনুল ইসলাম, যশোরের বাঘারপাড়ায় এফএম আশরাফুল কবির, অভয়নগরে সরদার অলিয়ার রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে সিরাজুল ইসলাম ও আশুগঞ্জে জিয়াউল করিম খান সাজু, কুমিল্লার বুড়িচংয়ে আখলাক হায়দার, ব্রাহ্মণপাড়ায় মোহাম্মদ আবু তৈয়ব অপি, মুরাদনগরে আহসানুল আলম কিশোর ও দেবিদ্বারে মো. মামুনুর রশিদ, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গোলাম শরীফ চৌধুরী পিপুল, কক্সবাজারের টেকনাফে জাফর আহমদ, চট্টগ্রামের চন্দনাইশে জসীম উদ্দীন আহমেদ ও আনোয়ারায় কাজী মোজাম্মেল হক জয় পেয়েছেন।
শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে মোশারফ হোসেন ও ডামুড্যায় আবদুর রশিদ গোলন্দাজ, কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে আছিয়া আলম, ইটনায় চৌধুরী কামরুল হাসান ও করিমগঞ্জে মো. মোজাম্মেল হক, ফরিদপুরের সদরপুরে শহীদুল ইসলাম বাবুল ও ভাঙ্গায় কাওসার ভূঁইয়া, মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে মো. আওলাদ হোসেন মৃধা ও শ্রীনগরে এম মাহবুব উল্লাহ, নেত্রকোনার মদনে ইফতেখারুল আলম খান চৌধুরী ও মোহনগঞ্জে শহীদ ইকবাল, ময়মনসিংহের ঈশ^রগঞ্জে মো. বদরুল আলম, জামালপুরের মেলান্দহে মো. দিদারুল পাশা ও মাদারগঞ্জে রায়হান রহমতুল্যাহ নির্বাচিত হয়েছেন।
সিলেটের বালাগঞ্জে আনহার মিয়া, বিয়ানীবাজারে আবুল কাশেম পল্লব ও ফেঞ্চুগঞ্জে আশফাকুল ইসলাম সাব্বির, সুনামগঞ্জের ছাতকে রফিকুল ইসলাম কিরণ ও দোয়ারাবাজারে দেওয়ান আল তানভীর আশরাফী, হবিগঞ্জের লাখাইয়ে মুশফিউল আলম আজাদ, সদরে মো. মোতাচ্ছিরুল ইসলাম ও শায়েস্তাগঞ্জে আবদুর রশিদ তালুকদার এবং মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ভানুলাল রায় বিজয়ী হয়েছেন।
স্থগিত ২০ উপজেলায় ৯ জুন ভোট : ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে স্থগিত হওয়া উপকূলীয় ২০ উপজেলায় ভোটের নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে ইসি। আগামী ৯ জুন এসব উপজেলায় ভোট হবে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব জাহাংগীর আলম।
উপজেলাগুলো হলো বাগেরহাটের শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, মোংলা, খুলনা কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া, বরিশালের গৌরনদী, আগৈলঝারা, পটুয়াখালীর পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, ভোলার তজুমদ্দিন, লালমোহন, ঝালকাঠির রাজাপুর, কাঠালিয়া, বরগুনার বামনা, পাথরঘাটা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার বাঘাইছড়ি ও নেত্রকোনার খালিয়াজুরী।
উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে গত সোমবার উপকূলীয় ১৯ উপজেলা পরিষদের ভোট স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরদিন মঙ্গলবার ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতির কারণে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়া এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরীর ভোটও স্থগিত করা হয়। আর আইনি জটিলতায় কুমিল্লার চান্দিনার ভোটও আটকে যায়।
নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব বলেন, স্থগিত উপজেলাগুলোর ভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। উপকূলীয় এলাকাগুলোয় ভোট হবে ৯ জুন। আর চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলায় ভোট হবে চতুর্থ ধাপের ভোটের দিন (৫ জুন)। মামলার কারণে স্থগিত কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলারও ভোট হবে একই দিনে।
প্রতিবেদনটিতে তথ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জেলা-উপজেলার প্রতিনিধিরা
