মৃত্যুর ৬ দিন পরও শেষকৃত্য হয়নি পি কে হালদারের মায়ের 

আপডেট : ০৩ জুন ২০২৪, ০৬:৪৭ পিএম

কয়েক হাজার কোটি টাকা লোপাটের ঘটনায় বাংলাদেশের আর্থিক খাতের আলোচিত নাম পি কে হালদার ওরফে প্রশান্ত কুমার হালদার। গত ২৮ মে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে মাল্টিঅর্গ্যান ফেলিওরের কারণে তার মা লীলাবতী হালদার মারা গেছেন। 

এ ঘটনার ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও পি কে হালদার ও তার ছোট ভাই প্রাণেশ হালদারের জামিন না হওয়ায় লীলাবতী হালদারের শেষকৃত্য করা যায়নি। বার্ধক্যজনিত কারণে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট থেকে কলকাতার বাইপাসের পাশে অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন লীলাবতী হালদার। 

লীলাবতী হালদারের শেষকৃত্য ও শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান করার জন্য অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেন পি কে হালদার ও তার ভাইয়ের আইনজীবী বিশ্বজিৎ মান্না। তবে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেননি।

গরমের ছুটি শেষে সোমবার (৩ জুন) আদালত খুলতেই স্পেশাল ইডি কোর্টে পি কে হালদারের জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী বিশ্বজিৎ মান্না। মানবিক দৃষ্টিতে সোমবার মায়ের শেষকৃত্য করার জন্য ১৫ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদন করেছিলেন পি কে হালদার ও তার ভাই।

কিন্তু এই জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী সংস্থা ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী। ১৫ দিনের জায়গায় চার দিনের অন্তবর্তী জামিনের দাবি জানান ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী।

দুই পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পর বিচারক প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, পি কে হালদারের মা মারা গেছেন। এই কারণ দেখিয়ে পিকে হালদার ও প্রাণেশ হালদারের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত এ বিষয়ে মঙ্গলবার শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

কলকাতার কাছাকাছি অশোকনগরসহ পশ্চিমবঙ্গের বেশকিছু জায়গায় অভিযান চালিয়ে ২০২২ সালের ১৪ মে পি কে হালদারকে গ্রেপ্তার করে ইডি। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় তার ভাই প্রাণেশ হালদার, স্বপন মিস্ত্রি ওরফে স্বপন মৈত্র, উত্তম মিস্ত্রি ওরফে উত্তম মৈত্র, ইমাম হোসেন ওরফে ইমন হালদার ও আমানা সুলতানা ওরফে শর্মী হালদারসহ বাকি আসামিদের।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত