দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ১১৪ রান তাড়ায় শেষ ২ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ১৮। শেষ ওভারে ১১ রান। ২ বলে দরকার ৬, মাহমুদউল্লাহ লং অনে উড়িয়ে মারলেন মহারাজের বল। কিন্তু বাউন্ডারি পাড় হওয়ার আগেই সেটি তালুবন্দি করেন মার্করাম।
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৭ উইকেটে ১০৯ রানে। বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছে ৪ রানে।
শেষ ওভারে কেশব মহারাজ যে ভালো বোলিং করেছেন, তা নয়। শেষ দুই বলও ছিল ফুলটস। কিন্তু দিনটি বাংলাদেশের নয়। মাহমুদউল্লাহ তাই পার করতে পারেননি লং অনে থাকা মার্করামকে।
১০ ওভার শেষে ৫০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে সেই চাপটা সামলে নিয়েছিলেনন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ ও তাওহীদ হৃদয়। পঞ্ম উইকেটে এই দুজনের ৪৪ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।
আঠারোতম ওভারের প্রথম বলে হৃদয় ৩৪ বলে ৩৭ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে। এরপর কাছে গিয়েও হারতে হলো বাংলাদেশকে।
তার আগে দারুণ বোলিংয়ে প্রোটিয়াদের ৬ উইকেটে ১১৩ রানে আটকে দিয়েছিলেন তানজিম-তাসকিনরা।
সাধারণ চোখে মনে হবে গতকাল ১২০ রান তাড়ায় পাকিস্তানের জেতা উচিত ছিল, আজ বাংলাদেশের জেতা উচিত ছিল। তবে নিউইয়র্কের নাসাউ স্টেডিয়ামে যে রান করা কঠিন গেছে আগেই। এই মাঠে সর্বোচ্চ স্কোর এখন পর্যন্ত আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে কানাডার করা ১৩৭ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা: ২০ ওভারে ১১৩/৬ (ডি কক ১৮, হেনড্রিকস ০, মারক্রাম ৪, স্টাবস ০, ক্লসেন ৪৬, মিলার ২৯, ইয়ানসেন ৫*, মহারাজ ৪*; তানজিম ৪-০-১৮-৩, তাসকিন ৪-০-১৯-২, মোস্তাফিজুর ৪-০-১৮-০, রিশাদ ৪-০-৩২-১, সাকিব ১-০-৬-০, মাহমুদউল্লাহ ৩-০-১৭-০)
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১০৯/৭ (তানজিদ ৯, শান্ত ১৪, লিটন ৯, সাকিব ৩, হৃদয় ৩৭, মাহমুদউল্লাহ ২০, জাকের ৮, রিশাদ ০*, তাসকিন ১*; ইয়ানসেন ৪-০-১৭-০, রাবাদা ৪-০-১৯-২, বার্টমান ৪-০-২৭-০, মহারাজ ৪-০-২৭-৩, নরকিয়া ৪-০-১৭-২)
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা: হেইনরিখ ক্লাসেন
