পুরনো ঢাকার আগা সাদেক এলাকায় মিরনজিল্লা সুইপার কলোনির হরিজন সম্প্রদায়ের বাসিন্দাদের উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার ওপর ৩০ দিনের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। রুলে মিরনজিল্লা সুইপার কলোনির হরিজন সম্প্রদায়ের বাসিন্দাদের পুনর্বাসন না করে উচ্ছেদ প্রক্রিয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
গতকাল বুধবার মিরনজিল্লার বাসিন্দাদের নিয়ে ‘প্রতিবাদ করে উচ্ছেদ ঠেকাল শিক্ষার্থীরা, আতঙ্কে বাসিন্দারা’ শিরোনামে একটি শীর্ষ জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি যুক্ত করে আজ সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী মনোজ কুমার ভৌমিক, উৎপল বিশ্বাস ও আইনুন নাহার হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি করেন।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে তিনজন শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস। অ্যাডভোকেট মনোজ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ওই কলোনিতে হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষেরা ২০০ বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু পুনর্বাসন ছাড়াই উচ্ছেদের প্রক্রিয়ায় তারা আতঙ্কে দিন পার করছেন। হাইকোর্ট বলেছেন, এটা অমানবিক। পুনর্বাসন ছাড়া তাদের উচ্ছেদ সমীচীন হবে না।’ তিনি আরও বলেন, ৩০ দিনের মধ্যে বিকল্প ব্যবস্থা বা পুনর্বাসন না করা পর্যন্ত তাদের উচ্ছেদ করা যাবে না বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অধীনে ওই কলোনির একাংশে ২৭ শতাংশ জমিতে আধুনিক কাচাবাজার নির্মাণ করতে হলে কিছু বাসা বাড়ি ভাঙতে হবে। গত মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্মকর্তারা পুলিশ ও উচ্ছেদ পরিচালনার জন্য যানযন্ত্র (এক্সকাভেটর ও পেলোডার) সমেত ওই কলোনিতে গিয়ে কলোনির বাসিন্দা ও তাদের স্কুল পড়ুয়া সন্তানদের প্রতিবাদের মুখে ফিরে আসে।
ডমিঙ্গো ও কুকের টোটকায় বাংলাদেশকে হারাতে চায় ডাচরা
বাইডেন ছেলের সাজা কি কমাবেন?