ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের সামরিক গোষ্ঠী হুতির হামলার এক সপ্তাহ পরে ডুবে গেছে গ্রিসের মালিকানাধীন একটি জাহাজ। গত ১২ জুন (বুধবার) লোহিত সাগর দিয়ে যাওয়ার সময় কয়লাবাহী ওই জাহাজে হামলা চালায় হুতি গোষ্ঠী।
তবে গ্রিসের মালিকানাধীন কয়লাবাহী জাহাজ ‘টিউটর’ ডুবে গেলেও এই ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে হামলার সময় ইঞ্জিনরুমে থাকা একজন ক্রু নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা।
গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজ পর্যবেক্ষণ ও শনাক্ত করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোম্পানি ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) মঙ্গলবার জানিয়েছে, জাহাজটি সর্বশেষ যে স্থানে দেখা গিয়েছিল সেখানে ধ্বংসাবশেষ এবং তেল পাওয়া গেছে।
সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, অন্যান্য জাহাজগুলোকে ওই এলাকায় সতর্কতা অবলম্বন করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১২ জুন লোহিত সাগরের হোদাইদাহ বন্দরে মনুষ্যবিহীন সারফেস বোট, ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে গ্রিসের টিউটর জাহাজে হামলা চালায় হুতি। চলতি বছরের ২ মার্চ হুতির হামলায় ডুবে যায় ৪১ হাজার টনেরও বেশি সার বহনকারী ব্রিটিশ জাহাজ ‘রুবিমার’। এরপরেই টিউটরের ডুবে যাওয়ার খবর এলো।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর গত নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে এডেন উপসাগরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান–সমর্থিত হুতিরা। গাজায় ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেই এ হামলা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা।
সফরে গিয়ে কিমকে যা উপহার দিলেন পুতিন