নকল আইএমইআইযুক্ত মোবাইলে পাকিস্তানের বাজার সয়লাব। চীনা নকল মোবাইল ফোনের ব্যাপক আমদানির ফলে দেশটির সরকার কোটি কোটি ডলারের রাজস্ব হারাচ্ছে। হার্ভার্ড অর্থনীতিবিদদের একটি সমীক্ষা অনুসারে ধারণা করা হচ্ছে, পাকিস্তানে বিক্রি হওয়া ৭৪ শতাংশ ফোন নকল।
এসব নকল মোবাইল ফোন আসল ফোন কোম্পানির লেবেলিং, প্যাকেজিং এবং ট্রেডমার্ক নকল করে। তারা শুধুমাত্র তাদের শ্রেষ্ঠত্বের জন্য বিখ্যাত ব্র্যান্ডের ক্ষতি করে না, সেই সাথে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোরও ক্ষতি করে।
পাকিস্তানের ফেডারেল বোর্ড অফ রেভিনিউ (এফবিআর) এর একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ৭ দশমিক ১৯ মিলিয়ন ডলার মূল্যের মোবাইল ফোন ক্রেডিট লেটার (এলসি) না খুলে বা ব্যাঙ্কিং চ্যানেল ব্যবহার না করে অবৈধভাবে আমদানি করা হয়েছিল।
এফবিআর এর একজন কর্মকর্তা জানান, তথ্যের মিল থাকায় ৭ দশমিক ১৯ মিলিয়ন ডলার মূল্যের মোবাইল ফোনের জন্য কোনো রাজস্ব প্রদান করা হয়নি। এসব মোবাইলের জন্য কিছু অবৈধ পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছিল।
পাকিস্তানে নকল মোবাইলের জনপ্রিয়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (পিটিএ) অনুমোদিত ডিভাইসগুলোতে উচ্চ আমদানি শুল্ক দিতে হয়। ফলে এসব মোবাইল ক্রয় করতে ভোক্তাদের বেশি অর্থ খরচ করতে হয়। তবে নন-পিটিএ মোবাইল ফোনগুলো পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন অথরিটির তালিকাভুক্ত নয়।
নকল স্মার্টফোন বৃদ্ধির আরেকটি কারণ হলো অর্থনৈতিক অবস্থা। দেশটিতে ডলারের বহিঃপ্রবাহ বন্ধ করার জন্য আমদানি সীমিত করা হয়। এতে নির্মাতাদের কাঁচামাল ফুরিয়ে যাওয়ায় স্মার্টফোনের ডিভাইসগুলোর উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যায়। পাকিস্তানের ৩০টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মোবাইল ফোনের আমদানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে এবং তার সঙ্গে নকল ফোনের পরিমাণও বেড়েছে। সূত্র: এশিয়ান লাইট।
প্রেম নিয়ে সংঘর্ষ, মাথা ফাটল আওয়ামী লীগ নেতার
প্রেমের টানে ইন্দোনেশিয়ার তরুণী জয়পুরহাটে
সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত