ঘরের মাঠে এবারও সেমিফাইনালের আগেই বাদ উইন্ডিজ

আপডেট : ২৪ জুন ২০২৪, ০১:১৬ পিএম

২০০৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেবার তারা বাদ পড়েছিল সুপার এইট থেকেই। তিন বছর পর ফের তারা আয়োজক হয় বিশ্বকাপের। তবে সেটা ছিল টি-টোয়েন্টির। সেবারও তারা বাদ পড়ে সুপার এইটের লড়াই থেকে।

১৪ বছর পর ক্যারিবিয়ান দ্বীপ পুঞ্জে আবারও ফিরে কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপ। কিন্তু এবারও সেরা আটের গেরো খুলতে পারেনি তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে আজ হেরে ঘরের মাঠে এবারও খেলা হলো না তাদের সেমিফাইনালে। আয়োজক হলেই যেন তারা চেনা ছন্দ হারিয়ে ফেলে। একবার তাই জায়গা হয়নি শেষ চারে।

ইংল্যান্ডের কাছে শেষ ম্যাচ হেরে ২০০৭ বিশ্বকাপের সেমির আশা শেষ হয় উইন্ডিজের। এই ম্যাচ খেলেই বিদায় নেন ব্রায়ান লারা।

২০১২ সালে শ্রীলঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয় উইন্ডিজরা। ১৯৭৯ সালের পর সেটাই ছিল তাদের বৈশ্বিক কোনো শিরোপা জয়। ৩৫ বছর পর ক্যারিবিয়ানদের চ্যাম্পিয়ন নৃত্য দেখতে পেয়ছিল ক্রিকেট বিশ্ব। তার চার বছর পর ভারতের ইডেন গার্ডেন্সে ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে শিরোপা ঘরে তুলেছিল দ্বিতীয়বারের মতো। দুবারই অধিনায়ক ছিলেন ড্যারেন স্যামি।

২০১০ সালে শেষ ম্যাচে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়ার কাছে।

তারপর থেকেই উইন্ডিজ যেন এক অচেনা দল। ২০১৯ বিশ্বকাপে ছিল না বলার মতো কোনো অর্জন। ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা বিদায় নিয়েছে সুপার টুয়েলভ থেকে। পরের বছর তারা বাছাইপর্বই পেরোতে পারেনি। তবে এবার যখন বিশ্বকাপ ছিল তাদের ঘরের মাঠে, তখন কোচ ছিলেন দুইবারের বিশ্বকাপ জেতা অধিনায়ক স্যামি। তাকে ঘিরে চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন বুনেছিলেন দেশটির সমর্থকরা।

কিন্তু চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক স্যামি দলকে পারেননি সেমিফাইনালে নিয়ে যেতে। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডিএলএসে তিন উইকেটে উইন্ডিজ হেরে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। তাই তিনবার বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েও ঘরের মাঠে সেমির জট থেকেই গেল, খোলা হলো না আর।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত