বিরল রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ‘বাহুবলী’ খ্যাত অভিনেত্রী আনুশকা শেঠি। জানা গেছে, ‘সিনড্রম অব লাফিং ডিজিজ’ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। বিজ্ঞানের ভাষায় এটাকে সিউডোবালবার অ্যাফেক্ট (পিবিএ) বলা হয়। এ রোগে আক্রান্ত রোগীরা হাসি, এমনকি কান্নার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন না। এটা একধরনের স্নায়বিক ব্যাধি, আর এর প্রভাব সরাসরি মস্তিষ্কে গিয়ে পড়ে। তবে এই রোগের কারণে মানসিক কোনো সমস্যা হয় না। তাই বিরল এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনোভাবেই মানসিক রোগী বলা যায় না।
এই রোগে আক্রান্ত হয়ে দক্ষিণি নায়িকা শুধুই এখন হাসতে থাকেন। শুটিং চলাকালে কোনো হাসির দৃশ্যের সময় হাসতে হাসতে তিনি মাটিতে গড়াগড়ি খান। আনুশকার কথায়, সবাই শুনলে অবাক হবেন যে হাসতে হাসতে তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। বিশেষ করে শুটিংয়ের সময় অসুবিধায় পড়েন তিনি।
অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার হাসির রোগ আছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে হাসা আবার কোনো সমস্যা নাকি? কিন্তু আমার জন্য এটা বড় সমস্যা। আমি যদি একবার হাসতে শুরু করি, তাহলে টানা ১৫-২০ মিনিট পর্যন্ত আমার এই হাসি থামে না। হাসির ছবি দেখার সময় বা হাসির দৃশ্যে অভিনয় করার সময় সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হই আমি। হাসির কারণে অনেকবার শুটিং বন্ধ পর্যন্ত করতে হয়েছে।’
অবশ্য নবভারত টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী আনুশকা নিজের মুখে জানাননি যে সিউডোবালবার অ্যাফেক্ট ব্যাধিতে আক্রান্ত তিনি। কিন্তু সাক্ষাৎকারের সময় তিনি যেসব উপসর্গের কথা বলেছেন, তার সঙ্গে পিবিএ রোগের মিল আছে। এ দুর্লভ ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হঠাৎ করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। আর আবেগপ্রবণ হয়ে তিনি হাসতে বা কাঁদতে থাকেন।
২০০৫ সালে ‘সুপার’ ছবির মাধ্যমে অভিনয় জগতে পা রেখেছিলেন আনুশকা শেঠি। গত বছর তাকে ‘মিস শেঠি মিস্টার পলিশেট্টি’ ছবিতে দেখা গিয়েছিল। আনুশকাকে ভবিষ্যতে তেলেগু ছবি ‘ঘাঁটি’তে দেখা যাবে। এই ছবির শুটিং চলছে। এ ছাড়া এক মালয়ালম ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন তিনি। তার ঝুলিতে রয়েছে ৪০টি ছবি।
বুদ্ধিমান পুরুষ আকৃষ্ট করতে পারে ঋতাভরীকে
জুলাইতে সোহিনীর বিয়ে 