শাশুড়ির হাতের রান্না করা খাবার খেতে চাননি যুবক। তাই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। স্বামীকে কাঁচি আঘাত করে চোয়াল, পিঠ এবং হাতে জখম করেছেন তার স্ত্রী। গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে ওই যুবক।
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বেঙ্গালুরুর হোসাকেরহল্লিতে। এ ঘটনায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই যুবক। পালটা তার স্ত্রীও যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
স্থানীয় পুলিশ জানায়, ওই যুবক তার স্ত্রী এবং সন্তানকে নিয়ে প্রথমে পার্কে ঘুরতে গিয়েছিলেন। রাত ৯টার দিকে তিনি স্ত্রী, সন্তানকে বাড়িতে নামিয়ে পাশের একটি বার ও রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাবার ও মদপান করে বাড়ি ফেরেন। এরপর বাড়ি ফিরে যখন বিশ্রাম নিচ্ছিলেন; সেই সময় তার স্ত্রী মায়ের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা খাবার তাকে খেতে বলেন। উল্লেখ্য, যুবকের শ্বশুরবাড়ি তাদের পাশের বিল্ডিংয়েই অবস্থিত।
তবে যুবক খাবার খেতে আপত্তি জানান। তিনি জানিয়ে দেন বাইরে থেকে খেয়ে এসেছেন। কিন্তু স্ত্রী তার মায়ের হাতে রান্না করা খাবার স্বামীকে খাওয়ানোর জন্য জোর করতে থাকেন। শেষে যুবক না খাওয়ায় তার স্ত্রী সেই খাবার খেয়ে ফেলেন। এরপরেই ঘটে বিপত্তি। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই নারী এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া শুরু করেন।
এ নিয়ে দুজনের ঝগড়ার মধ্যেই আচমকা একটি কাঁচি নিয়ে স্বামীকে বারবার আঘাত করতে থাকেন ওই নারী। শেষে স্ত্রীর হামলা থেকে বাঁচতে শ্বশুরবাড়িতে চলে যান ওই যুবক। সেখানেও তার শ্বশুর-শাশুড়ি তার স্ত্রীকে সমর্থন করেন। এরপর কাছাকাছি হাসপাতালে যান ওই যুবক। সেখানে চিকিৎসা করার পর থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। এর ভিত্তিতে পুলিশ ওই যুবকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ পাঠানো হয়।
অন্যদিকে ওই নারীর অভিযোগ, তার স্বামী শুধু তার নিজের মায়ের হাতের রান্না করা খাবার খান। আর এ কারণে তিনিও তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় পালটা অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ তার স্বামীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠায়। পরে পুলিশ তাদের কাউন্সেলিং করে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির একটি হোটেল রয়েছে। সেই সূত্রেই নারীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কের পর তারা ২০২১ সালে বিয়ে করেছিলেন।
যৌন নির্যাতনে জেল খাটার পরই আশ্রম খোলেন ভোলে বাবা