কোটা সংস্কারপন্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এই সংঘর্ষে প্রায় দুই শতাধিক কোটা সংস্কারপন্থী শিক্ষার্থী আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে। এদিকে ঢামেকে আহত ছাত্রলীগের কর্মী ও সমর্থকরা চিকিৎসা নিতে আসছেন। এ সময় ছাত্রলীগ বলে তিন জনকে পিটুনি দিয়ে জরুরি বিভাগ থেকে বের করার অভিযোগ পাওয়া গেছে কোটা সংস্কারপন্থীরা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত একজন পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা নিতে আসা সংস্কারপন্থীরা ছাত্রলীগ সন্দেহে তিনজনকে পিটুনি দিয়ে বের করে দিয়েছে। আমরা পরিস্থিতি শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করছি। অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও চিকিৎসক কাজ করছেন।’
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে দেখা যায়, জরুরি বিভাগের এক্সরে রুমে বসে থাকা একজনকে ছাত্রলীগের সদস্য বলে পিটুনি দিয়ে রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়। তারপর তাকে জরুরি বিভাগের ইমারজেন্সি গাইনি কনসালটেন্ট রুমের সামনে ফেলে মারধর করা হয়। এই অবস্থায় আনসার ও পুলিশ সদস্যরা কোটা সংস্কারপন্থীদের হাত থেকে তাকে উদ্ধার করে বাইরে পাঠিয়ে দেয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একজন সুহাস বলেন, ‘আমরা আহতদের চিকিৎসায় বাধা দিচ্ছি না। তবে ছাত্রলীগের একজন আহত ব্যক্তির সাথে চার থেকে পাঁচজন করে হাসপাতালে আসছে। তারা এভাবে এখানে জড়ো হয়ে আমাদের উপর হামলা করতে পারে। আমরা চেয়েছি যেই আহত হোক তার সঙ্গে যেন একজন করে সহযোগী থাকে।’
