এক ঘন্টার কিছু বেশি সময়ের মধ্যেই শেষ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটির সভা। যে সভায় নির্ধারিত হয়েছে বাফুফের নির্বাচনের তারিখ। ২৬ অক্টোবর নির্বাচন আয়োজন করতে চাইছে বাফুফের কার্যনিবার্হী কমিটি। যদিও বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে ৩ অক্টোবর। তিন সপ্তাহের কিছু সময় পিছিয়ে তারা চাইছে নির্বাচন আয়োজন করতে। তবে এর জন্য বাফুফেকে নিতে হবে ফিফার অনুমতি।
বাফুফে অবশ্য মেয়াদকালীন অবস্থায় শুরুতে নির্বাচন আয়োজন করতে চেয়েছিল। তবে শোকের মাস আগস্টে নির্বাচনের প্রক্রিয়া না করার পক্ষে রায় দিয়েছেন কমিটির বেশিরভাগ সদস্য। আগস্ট এড়িয়েও মেয়াদের মধ্যেই করা যেত নির্বাচন। তবে সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে ভেন্যু পাওয়া নিয়ে তৈরি হতে পারে জটিলতা। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে আইসিসি ওমেন্স টি-২০ বিশ্বকাপ। ফলে সে সময়ে ঢাকার পাঁচ তারকা হোটেলে বাফুফের নির্বাচনের মতো আয়োজন করা সম্ভব হবে না। তাই পেছানোর এই সিদ্ধান্ত জানালেন বাফুফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, 'আমাদের সভায় আজকে সিদ্ধান্ত হয়েছে বাফুফের নির্বাচন নিয়ে। আমরা ২৬শে অক্টোবর তারিখ চূড়ান্ত করেছি। যেটা প্রায় ৩ সপ্তাহ মেয়াদপূর্তীর পরে। আমরা ৩ তারিখের (৩ অক্টোবরের) মধ্যে করতে চেয়েছিলাম, আমাদের মেয়াদের মধ্যে। তবে মেয়েদের বিশ্বকাপের মধ্যে হোটেলসহ অনেক কিছু্র সমস্যা আছে, তাই আমাদের পেছাতে হয়েছে। তাই বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২৬শে অক্টোবর নির্বাচন করার উইথ দ্য পারমিশন অফ ফিফা। তাই জেনারেল সেক্রেটারিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ২৬ তারিখে এ যাওয়ার কারণগুলো উল্লেখ করে ফিফা বরাবর আবেদন করতে। এটাই সভার বড় সিদ্ধান্ত।'
এ ক্ষেত্রে ফিফা যদি অনুমতি না দেয়, এমন প্রশ্নে সালাউদ্দিন বলেন, 'তাহলে তো আমাদের মেয়াদের মধ্যেই করতে হবে। বিষয়টা সহজ।' এরপর পেছানোর কয়েকটি কারণ জানান বাফুফের চার মেয়াদের সভাপতি, 'দুই-তিনটা স্পেসিফিক কারণ আছে। বেসিক যে কারণে বোর্ড সিদ্ধান্ত নিলো সেটা হলো ভেন্যু পাওয়া যাচ্ছে না। যদি নির্বাচন সেপ্টেম্বরে করতে হয় তাহলে তার সব কার্যক্রম আগস্টে করতে হয়। আগস্ট মাস শোকের মাস। এই মাসে যেন ফুটবল নিয়ে লাফালাফি না হয় সে যে জন্য প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে সেপ্টেম্বরে।' তারিখ চূড়ান্ত হলেও এখনও নির্বাচন কমিশন গঠন করেনি বাফুফে।
সভায় প্রশ্ন করা হয়েছিল সালাউদ্দিন পঞ্চম মেয়াদে সভাপতি নির্বাচন করবেন কীনা, সেটা এড়িয়ে যান তিনি। বলেন, এটা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, যা সভা শেষের সংবাদ সম্মেলনে বলতে তিনি বাধ্য নন। এড়িয়ে গেলেও তিনি জোরেসোরেই চেষ্টা করছেন সভাপতি পদে নির্বাচন করার। শেষ পর্যন্ত তিনি করবেন কীনা, আবার করলেও নির্বাচিত হবেন কি না- তা সময়ই বলে দিবে।
রক্ত নয় শান্তি চান তাসকিন
নিউজিল্যান্ডের অধিনায়কত্ব করাটা হবে সত্যিকার সম্মানের: টম ল্যাথাম