দেশের সম্পদ, ইতিহাস, শিল্পকর্ম, স্মারক ও প্রাণ রক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন শিক্ষক, শিল্পী, গবেষক, দার্শনিক ও সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। গতকাল বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ আহ্বান জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের ভেতর দিয়ে ফ্যাসিবাদী সরকারের অপসারণের পাশাপাশি রচিত হয়েছে এক বিপ্লবী জনইতিহাস। কিন্তু গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ঢাকাসহ দেশব্যাপী নানা স্থাপনা, ভাস্কর্য, সংগ্রহশালা, জাদুঘর, স্মৃতিস্মারকসহ অনেক বাড়িতে হামলা ও লুটপাট হয়েছে। আবারও করুণ প্রাণহানি ও রক্তপাতের ঘটনা ঘটেছে।
বিবৃতিদাতারা হলেন কিউরেটর, শিল্পী ও সংগঠক আমিরুল রাজিব, আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুন, চলচ্চিত্রকার নুরুল আলম আতিক, লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, কিউরেটর, অর্থনীতিবিদ ও শিল্পী নাঈম উল হাসান, প্রত্নতত্ত্ববিদ ড. স্বাধীন সেন, নৃবিজ্ঞানী ড. স্নিগ্ধা রেজওয়ানা, প্রত্নতত্ত্ববিদ ড. মাসউদ ইমরান মান্নু, দার্শনিক ড. সৈয়দ নিজার আলম, আর্কাইভিস্ট ও গবেষক শামসুজ্জোহা সাজেন, রেস্টোরেশন আর্টিস্ট হাসানুর রহমান রিয়াজ, কবি ও সাংবাদিক সাঈদ জুবেরী, শিল্পকর্মী মোহাইমিনুল বাশার এবং সমাজকর্মী জবা তালুকদার।
