বাগেরহাটের শরণখোলা প্রেস ক্লাবে সন্ত্রাসী হামলায় দুই সাংবাদিক আহত হয়েছেন। বিএনপির অঙ্গ সংগঠন মহিলা দলের শরণখোলা উপজেলা সভানেত্রী সাগর আক্তারের উপস্থিতিতে তার দুই ছেলে শামিম হাসান সুজন, সোহাগ ও বিএনপির সমর্থক পদ্মা ডায়গনেস্টিক সেন্টারের মালিক হেলাল তালুকদারের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একটি দল বুধবার (৭ আগস্ট) রাতে এ হামলা চালান বলে অভিযোগ উঠেছে।
হামলাকারীরা শরণখোলা প্রেস ক্লাব সভাপতি প্রতিদিনের বাংলাদেশের উপজেলা প্রতিনিধি ইসমাইল হোসেন লিটন ও সাধারণ সম্পাদক কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি মহিদুল ইসলামকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় তারা শরণখোলা প্রেস ক্লাবে তাণ্ডব চালিয়ে চেয়ার, টেবিল, কম্পিউটার, ল্যাপটবসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।
এ সময় তারা প্রেস ক্লাবের আরো ২টি কম্পিউটার ও নির্মাণ কাজের জন্য রাখা তিন লাখ টাকা লুটে নেয়। এ ঘটনার পর স্থানীয়রাসহ সাংবাদিকরা এসে আহত দুই সাংবাদিককে উদ্ধার করে শরণখোলা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় বাগেরহাট জেলাজুড়ে সাাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকরা অবিলম্বে এ ঘটনায় জড়িতদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দলটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে বিএনপির সমর্থক পদ্মা ডায়গনেস্টিক সেন্টারের মালিক হেলাল তালুকদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
শরণখোলা প্রেস ক্লাবে হামলার বিষয়ে বাগেরহাট জেলা জাতিয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী শাহিদা আক্তার বলেন, দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহিংসতা না করতে দলীয় নেতাকর্মীদের বার বার নির্দেশনা দিয়েছেন। এরপরেও যারা সহিংসতা করেছে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জবিতে ১৮ আগস্ট থেকে অনলাইন ক্লাস, প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদের
লুটকৃত অস্ত্র নিকটস্থ র্যাব কার্যালয়ে ফেরত দেওয়ার আহ্বান