বিজিএমইএ সভাপতির বিরুদ্ধে ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৪, ১০:৪০ পিএম

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ’র বর্তমান সভাপতি এস এম মান্নান কচির বিরুদ্ধে ছাত্রদের ওপর  গুলিবর্ষণের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবি করেছেন সাধারণ সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) বিজিএমইএ সভাপতিসহ তার বোর্ড সদস্যদের পদত্যাগ দাবি করে স্মারকলিপি দিয়েছেন তারা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বর্তমান বিজিএমইএ সভাপতি এস এম মান্নান কচি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। গত ৪ আগস্ট মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে ছাত্র-জনতার ওপর কচি গুলিবর্ষণ করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দমন-পীড়ন ও হত্যায় উত্তরা ও মিরপুরে কচির নেতৃত্বে তার ক্যাডার বাহিনী মূল ভূমিকা পালন করে। এটি সব গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

সদস্যরা অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালে বিজিএমইএ পর্ষদ নির্বাচনে এস এম মান্নান কচি ও তার দল ক্যাডার বাহিনী দিয়ে সংগঠনটির ক্ষমতা দখল করেন। এ কাজে সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য সালাম মুর্শেদী, মহিউদ্দিন, আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান ও ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলামকে নিজ বাহিনীসহ সরাসরি অংশ নিতে দেখা যায়। সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশীও এ দায় এড়াতে পারেন না।

স্বারকলিপিতে বলা হয়, ছাত্র আন্দোলনে কয়েকশত ছাত্র-জনতা নিহত হওয়ার পরও বর্তমান বোর্ড ও সভাপতি কোনো শোকবার্তা দেয়নি। ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলন ও গণজোয়ারে বিজিএমইএ সভাপতি ও তার বোর্ড সম্পূর্ণ বিপরীতমূখী ভূমিকা পালন করায় তারা দায়িত্ব পালনের নৈতিক অধিকার হারিয়ে ফেলেছেন। 

সংকটে কারখানা খোলা নিয়ে সংগঠনটির কোনো সঠিক নির্দেশনা দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে বলা হয়, গত কয়েক সপ্তাহে বিজিএমই ব্যবসা পরিচালনায় কার্যকর কোনো নির্দেশনা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। 

গত ৪ আগস্ট সকাল থেকে ছাত্র আন্দোলন ঠেকাতে মিরপুর-১০ গোলচত্বর দখলে নেয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য নিখিল ও বিজিএমইএ সভাপতি কচির নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ। দুপুর ১টার দিকে কচি তার বক্তব্যে বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে দাঁড়াবে তাকে শেষ করে দিতে হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত