ভারতের আদানি গ্রুপের সুনাম নষ্ট করতে পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। মার্কিন সংস্থা হিন্ডেনবার্গের নতুন রিপোর্ট খারিজ করে পাল্টা মার্কিন শর্ট সেলার সংস্থাকেই আক্রমণ করল তারা। আদানিদের দাবি, যে তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশিত সেই তথ্য আংশিকভাবে প্রকাশ করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এই অভিযোগগুলো আগেই খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
গত শনিবার হিন্ডেনবার্গের এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া যে আদানিদের ক্লিনচিট দিয়েছে, সেই সংস্থার প্রধান মাধবী পুরী বুচ আদানিদের থেকে সুবিধাপ্রাপ্ত।
আদানিদের শেল কোম্পানিতে অংশীদারিত্ব ছিল মাধবীর স্বামীর। আদানি গোষ্ঠীর বিদেশে সরিয়ে নেওয়া টাকায় অংশীদারিত্ব ছিল শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রধানের। খবর সংবাদ প্রতিদিনের।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আদানিদের দাবি, জনসমক্ষে প্রকাশিত তথ্যের কিছু মিথ্যা এবং বিদ্বেষমূলক অংশ নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের এই সংস্থাটির বিরুদ্ধে একাধিকবার ভারতের আইন ভাঙার অভিযোগ উঠেছে।
আদানিদের দাবি, এর আগেই সুপ্রিম কোর্ট আদানি গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ ক্লিনচিট দিয়েছে। তারপরও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে সংস্থার ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে।
হিন্ডেনবার্গের বিস্ফোরক রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই সরব ভারতের বিরোধী শিবির। কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ একটি বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছেন, হিন্ডেনবার্গের এই রিপোর্ট সত্যি হলে শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রধানের স্বার্থের সংঘাত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এ ধরনের মামলায় স্বার্থের সংঘাত এড়ানো উচিত।
কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরেই আদানিকাণ্ডে যৌথ সংসদীয় কমিটি গড়ে তদন্তের দাবি তুলছে। তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘এটা পুরোপুরি আদানির স্টাইল। পুঁজিপতি আস্ফালনের আদর্শ উদাহরণ। এবার কি ইডি-সিবিআই মামলা করবে?’
মা-ছেলে বিদেশে বসে দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে: ইশরাক