ঢাকার ধামরাইয়ে নিখোঁজের দুদিন পর বস্তাবন্দি অবস্থায় কামরুল হাসান (২৩) নামে এক পুলিশ সদস্যের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে ধামরাই উপজেলার কংসপট্টি এলাকার একটি ডোবা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নারগিস আক্তারকে (১৯) আটক করা হয়েছে। পরকীয়ার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহত কামরুল হাসান ধামরাই উপজেলার কংসপট্টি এলাকার মৃত রুস্তম আলীর ছেলে। সে পুলিশের উত্তরা এপিবিএন শাখায় চাকরি করতেন।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিন আগে কামরুল গ্রামের বাড়িতে আসেন। পরে গত বুধবার সকালে তার মোবাইল ফোনে একটি কল এলে কামরুল তড়িঘড়ি করে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। সারাদিন বাসায় না ফেরায় বাড়ির লোকজন কামরুলকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করে সন্ধান পায়নি। গতকাল শুক্রবার সকালে ডোবাতে বস্তাবন্দি অবস্থায় কামরুলের মরদেহটি ভেসে ওঠলে প্রতিবেশীরা সেটি দেখতে পেয়ে ধামরাই থানা পুলিশকে খবর দেয়।
ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাসির বলেন, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, স্ত্রীর পরকীয়ার কারণে ওই পুলিশ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। বস্তার ভেতরে হাত-পা বেঁধে বস্তাবন্দি করে ওই ডোবায় ফেলা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। ধামরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের করা হবে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
