লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিতে নিহত আফনান পাটওয়ারী ও সাব্বির হোসেন রাসেলের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে অভিযোগ উঠেছে। নিহতদের পরিবার মামলা করার পর থেকেই অভিযুক্ত সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন হুমকি দিচ্ছে। এতে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা।
জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরেই আফনানের মা নাছিমা আক্তার ও সাব্বিরের স্ত্রী তমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া মামলা থেকে আসামিদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য রাতদিন ফোন করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের দুই পরিবার জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
আফনার পাটোয়ারী লক্ষীপুর শহরের বিসিক শিল্প এলাকার বাঞ্চানগর গ্রামের বাসিন্দা এবং ভিক্টোরিয়া কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। একমাস পূর্বে তার বাবা মারা যায়। তার মা নাছিমা আক্তার বলেন, ‘জালিমেরা আমার ছেলের হাত পা ভেঙ্গে বুকের উপর লাফিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। কি অপরাধ ছিল আমার ছেলের? এখন মামলা করেও বাড়িতে থাকতে পারছি না।’
আফনানের একমাত্র বোন জান্নাতুল মাওয়া বলেন, ‘বাবা আগেই মারা গেছেন। ভাইকে হারিয়েছি ছাত্র আন্দোলনে। এখন কীভাবে বাঁচবো? নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।’
অপরদিকে নিহত সাব্বির সাব্বির দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজে লেখাপড়া করতে। তার স্ত্রী তমা জানান, বিভিন্ন ফোন নম্বর থেকে কল করে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা বর্তমানে জীবনের ভয়ে আছি। ন।’
শহরের দক্ষিণ তেমুহনি এলাকায় নিহত আফনান এর এক আত্মীয় নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানান, ‘প্রতিদিন মামলার আসামিরা ফোন দিয়ে বিভিন্ন চাপ দিচ্ছে। বর্তমানে নিহতের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।’
এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর থানার ওসি তদন্ত নিজামুদ্দিন ভূঁইয়া জানান, ‘আমরা নিজেরা এখনো গুছিয়ে উঠতে পারিনি। তারপরেও নিহতদের পরিবারে কিছু হবে না বলে আশা করি।’
তিনি আরও বলেন, বাড়ি ছাড়ার অভিযোগটি সঠিক নয়। আমরা তাদেরকে ফোন রিসিভ না করার জন্য বলেছি । অথবা রিসিভ করলে যেন কেটে দেয়। এরপরও যদি কেউ বিরক্ত করে তার বিরুদ্ধে জিডি করার জন্যও বলেছি।
নীরবতা ভেঙে যে বার্তা দিলেন ব্যারিস্টার সুমন
রাষ্ট্র সংস্কারে যতদিন সময় লাগবে সমর্থন থাকবে
কথা ছিল খেতে আসবে খুঁজতে গিয়ে মিলল লাশ