চট্টগ্রামের পতেঙ্গা, পাহাড়তলী ও আকবর শাহ থানায় ভাঙচুর, হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এসব মামলায় অজ্ঞাত ৪০ থেকে ৪৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট এসব মামলা দায়ের হয়। একই ঘটনায় নগরের ডবলমুরিং ও হালিশহর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, পতেঙ্গা থানায় দায়ের করা মামলায় অজ্ঞাত আসামি ২০ থেকে ২৫ হাজার, পাহাড়তলী থানায় ১৪ থেকে ১৫ হাজার ও আকবর শাহ থানা ৪ থেকে ৫ হাজার জন।
শনিবার (২৪ আগস্ট) পুলিশ বাদী হয়ে থানায় এই মামলা করলেও বিষয়টি জানাজানি হয় সোমবার (২৬ আগস্ট) রাতে। এর আগে হামলা ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে গত ২২ ও ২৪ আগস্ট নগরের কোতোয়ালী থানায় অজ্ঞাত ৪০ হাজার জন এবং ইপিজেড থানায় ৩০হাজার জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে পুলিশ। এ নিয়ে পাঁচ থানায় দায়ের হওয়া পাঁচ মামলায় অজ্ঞাত আসামির সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ১৫ হাজার জনে।
মামলাগুলোর এজাহারের বর্ণনা সুত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নগরের পতেঙ্গা, পাহাড়তলী ও আকবরশাহ থানায় দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হাজার দুর্বৃত্ত। হামলাকারীদের ভয়ে পুলিশ সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে থানা ছেড়ে পালিয়ে গেলে ভাঙচুর লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে অস্ত্র ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এছাড়া দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে থানার রেজিস্ট্রার, সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র এবং মালামাল পুড়ে যায়। এ ঘটনায় অনেক পুলিশ সদস্যও আহত হন।
নগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, ‘২৪ আগস্ট নগরের পতেঙ্গা, পাহাড়তলী ও আকবরশাহ থানায় ভাঙচুর লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পৃথকভাবে দায়ের করা তিন মামলায় অজ্ঞাত ৪৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।’
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল
বন্যায় বৈদ্যুতিক নিরাপত্তায় যে সতর্কতা মানা উচিত
মানহানি মামলা থেকে খালাস পেলেন তারেক রহমান
মমতার পদত্যাগ দাবিতে পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় ঘেরাও, ব্যাপক সংঘর্ষ