নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় এক বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা মুখোশ পড়ে ঘরের লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ ৭০ লাখ টাকা, ২২ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ অন্যান্য মালামাল লুট করে।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাত ৩টার দিকে উপজেলার মজলিশপুর গ্রামের ব্যবসায়ী কোবাদ আকন্দের বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসময় এলাকাবাসী ডাকাত দলের বাদশাহ মিয়া নামের এক সদস্যকে ধরে ফেলে। শনিবার (৩১ আগস্ট) সকালে পুলিশ এসে ডাকাত দলের সদস্যকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
বাদশাহ মিয়া পাশের জেলা কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মৃত রমজান আলীর ছেলে।
শনিবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০ টার দিকে ডাকাতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়া থানার পেমই তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক সাদ্দাম হোসেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৩০ আগস্ট) গভীর রাতে ৬ জন মুখোশধারী একটি ডাকাত দল ব্যবসায়ী কোবাদ আকন্দের বাড়িতে ডাকাতি করার জন্য হানা দেয়। এরপর ডাকাতরা কোবাদ আকন্দের পরিবারের সদস্যদের একটি রুমে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আটকে রাখে। পুরো ঘর তল্লাশি চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে নগদ ৭০ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার সহ অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
ডাকাত বাদশাহ মিয়ার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ছয়জন ডাকাত জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে সবাইকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে টাকা ও স্বর্ণালংকার ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এ সময় তাকে এলাকাবাসী আটক করে। অন্য পাঁচজন পালিয়ে যায়। ডাকাত ছয়জনের মধ্যে দুইজন এই এলাকার, দুই জন পাকুন্দিয়ার মঠখোলা এলাকার এবং বাকি দুই জন গাজীপুর এলাকার বলে জানায়।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান আকন্দ বলেন, ‘মজলিশপুর গ্রামের ব্যবসায়ী কোবাদ আলীর আকন্দের বাড়িতে ডাকাতি করে যাওয়ার সময় বাদশাহ মিয়া নামে এক ডাকাতকে এলাকাবাসী আটক করেছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
