নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রতিবেশী দাদা বকুল মিয়ার (৫৫) বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মদন থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ভুক্তভোগী শিশুকে মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা যায়, রবিবার দুপুরে শিশুটি মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে আসে। এ সময় বাড়িতে ছিলেন না মা-বাবা। ঘর খালি থাকায় নিজের ঘরে ডেকে নেন প্রতিবেশী বৃদ্ধ। সে সময় ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
অভিযুক্ত বকুল মিয়া উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের পাচআলমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার শিশুটি মদন উপজেলার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। রবিবার দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুটি মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে আসে। তখন শিশুটির মা-বাবা ঘরের ছিল না। ঘর খালি থাকায় হাতের কাঁটা খুলতে দাদা নাতিকে ডেকে তার ঘরে নিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়। কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলার ভয়ও দেখান অভিযুক্ত। শিশুটির মা ঘরে এসে মেয়েকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুরো ঘটনাটি মেয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন। পরে সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে থানায় গিয়ে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে অভিযুক্ত দাদার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মেয়েটি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগী শিশুটির মা জানান, আমার শিশু মেয়েটির উপর পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক। যাতে আর কেউ এরকম সাহস করতে না পারে। আমি এর উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হক বলেন, ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে মামলা হয়েছে।
ছাত্রদের ওপর ‘গরম পানি’ ঢেলে দিতে বলেন কয়েকজন শিল্পী
কাজে আসছে না শেখ পরিবারের নামে অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনে যোগাযোগ করবেন যেখানে
৫ মামলায় খালাস পেলেন খালেদা জিয়া 