সিরাজগঞ্জে যমুনার ভাঙনে হারিয়ে যেতে বসেছে অনেক গ্রাম 

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০২:২৮ পিএম

বন্যার পানি কমতে থাকায় সিরাজগঞ্জ সদর, কাজীপুর, চৌহালি ও শাহজাদপুর উপজেলার অর্ধশত গ্রামে যমুনা নদীর ভাঙন দেখা দিয়েছে। অনেক স্থানে ভাঙনের পরিমান এতো বেশি যে, সেসব গ্রাম মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। 

বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের পাঁচঠাকুরীর দক্ষিণ থেকে খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের ব্রাহ্মণবয়ড়া পর্যন্ত, শাহজাদপুর উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম থেকে হাট পাঁচিল পর্যন্ত, কাজিপুরের মেঘাই, চৌহালির বাঘুটিয়া ও মেটুয়ানি গ্রাম মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। 

অনেক স্থানে তীর সংরক্ষণের কাজ ঠিকাদাররা ধীরগতিতে করতে থাকায় ভাঙন থেকে রক্ষা পাচ্ছে না এলাকাবাসী। ফলে ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে শাহজাদপুর উপজেলার পাঁচিল ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পাঁচঠাকুরি এলাকায় স্থানীয়রা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পাঁচিল ও শনিবার সকালে পাঁচঠাকুরি এলাকায় পৃথকভাবে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

পাঁচঠাকুরির মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ভাটপিয়ারী গ্রামের জহুরুল ইসলাম দুলাল। এতে বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য আমির হোসেন, জাকিরুল ইসলাম, শেখ মো. এনামুল হক, ফারুক আহমেদ, হেলাল উদ্দিন, সুলতান মাহমুদ, সেলিম রেজা, মাসুদ রানা, চাঁদ হোসেন, শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। পাঁচিলের মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আলহাজ আলী, মো. ইয়াসিন, দেলবার হোসেন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শত শত বাড়িঘর, জমিজমা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা, তাঁত কারখানা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে মানুষজন নিঃস্ব হয়ে গেছে। এখনও যেটুকু অবশিষ্ট আছে, তা রক্ষায় জরুরিভিত্তিতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজন। তাই ভাঙনরোধে ‌দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণকাজ শেষ করার জোর দাবি জানানো হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত