ইউএস ওপেনে ফের অঘটন। এবার কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেন ইগা সোয়ানতেক। নারীদের এক নম্বর তারকা ২-৬, ৪-৬ গেমে হেরে গেলেন ষষ্ঠ বাছাই জেসিকা পেগুলার কাছে। তবে ছেলেদের এক নম্বর ইয়ানিক সিনার এক সেট খুইয়েও সেমিফাইনালে উঠেছেন।
গত মাসে ক্লান্তির কারণে কানাডা ওপেনে খেলেননি সোয়ানতেক। বুধবার তাকে শুরু থেকেই দিগ্ভ্রষ্ট লেগেছে। সার্ভ নিয়ে সমস্যা পড়েছিলেন তিনি। ৪১টি আনফোর্সড এরর করেছেন। প্রথম রাউন্ড থেকে সোয়ানতেককে এক বারও ব্রেক করতে পারেননি কেউ। পেগুলা সেই কাজ করে দেখান। প্রথম গেম এবং তৃতীয় গেমে ব্রেক করেন সোয়ানতেককে।
দ্বিতীয় সেটের শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন পেগুলা। তৃতীয় গেমে আবার সোয়ানতেককে ব্রেক করেন। সামান্য কিছু সময়ের জন্য ফিরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সোয়ানতেক। তবে পেগুলা ছন্দ হারাননি। ম্যাচের পর খারাপ সার্ভিসকেই দোষ দিয়েছেন সোয়ানতেক।
বলেছেন, ‘প্রথম সেটে ০-৪ পিছিয়ে থাকার সময় ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলাম। বুঝতেই পারিনি কেন সার্ভিস করতে পারছি না। খুব কঠিন এটা মেনে নেওয়া। দ্রুত সমাধান খুঁজতে হবে।’ এর আগে ছয় বারের সাক্ষাতে প্রতিবারই পেগুলাকে হারিয়েছেন সোয়ানতেক। বড় মঞ্চে পারলেন না।
শীর্ষ বাছাই সিনার নেমেছিলেন পঞ্চম বাছাই দানিল মেদভেদেভের বিরুদ্ধে। তিনি জেতেন ৬-২, ১-৬, ৬-১, ৬-৪ গেমে। এ বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালেও মেদভেদেভকে হারিয়েছিলেন সিনা। আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে ফোরহ্যান্ড উইনার মেরে খেলা শেষ করেন। ২০২১ সালে ইউএস ওপেন জেতার পর সিনারকে ঠিক এ ভাবেই কোয়ার্টার ফাইনালে হারিয়েছিলেন মেদভেদেভ। এ বার উল্টো ঘটনা দেখার অপেক্ষায় টেনিসবিশ্ব।
প্রথম সেটে সিনারের দ্বিগুণ আনফোর্সড এরর করেন মেদভেদেভ। সিনার শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় সেটে ঘুরে দাঁড়ান রাশিয়ার খেলোয়াড়। ২৪ শটের একটি র্যালি জিতে ব্রেক করেন সিনারকে। তৃতীয় সেটে আবার শাসন দেখান সিনার। প্রথম পাঁচটি গেম জিতে দর্শকদের মুগ্ধ করে দেন। তবে চতুর্থ সেটে লড়াই হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি। মেদভেদেভ একটি ম্যাচ পয়েন্ট বাঁচালেও ফিরে আসতে পারেননি।
বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তানের হার, হতাশ ওয়াসিম আকরাম
সাকিবের মামলা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলবেন শান্ত
বীরের বেশে দেশে ফিরলেন শান্তরা